
ঠিক দুই বছর আগে ভারতীয় ক্রিকেট দলের কোচিং স্টাফ হিসাবে যোগ দিয়েছিলেন রায়ান টেন দুশখাতে। মনে করা হচ্ছে, বিসিসিআই-এর সঙ্গে তাঁর প্রাথমিক চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ১২ থেকে ১৪ জুলাইয়ের আশপাশে তাঁর মেয়াদ শেষ হয়ে থাকতে পারে। তবে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ সম্মত হলে, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান ওয়ান ডে সিরিজ শেষ হওয়ার পর তিনি তাঁর দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।
Cricbuzz-এর তথ্য অনুযায়ী, ব্যক্তিগত কারণে টেন দুশখাতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং লন্ডনে বসবাসরত তাঁর পরিবারকে আরও বেশি সময় দেওয়ার কথা ভাবছেন। শোনা যাচ্ছে, তিনি এমন কোনও দায়িত্ব খুঁজছেন যাতে কম ভ্রমণ করতে হয় এবং সময়সূচিও খুব একটা ব্যস্ততাপূর্ণ নয়।
প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরই তাঁর নিয়োগের সময় বিসিসিআই-এর কাছে তাঁর নাম সুপারিশ করেছিলেন এবং রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, তাঁর পদত্যাগের বিষয়টি আটকে দেওয়ার (ভেটো দেওয়ার) ক্ষমতা গম্ভীরের হাতে থাকবে। তবে গম্ভীর যে এমন কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন, তার সম্ভাবনা খুবই কম।
এদিকে, ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার ও নির্বাচক কমিটির প্রাক্তন চেয়ারম্যান এমএসকে প্রসাদ বলেছেন যে, ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের হাতে সেরা খেলোয়াড়রা ছিলেন না, কারণ সফরকারী দলে অলরাউন্ডার হার্দিক পাণ্ড্য ও পেসার জসপ্রীত বুমরা ছিলেন না।
ফিটনেসজনিত সমস্যার কারণে পাণ্ড্যকে দলের বাইরে রাখা হয়েছিল, আর বুমরাকে সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাটের জন্য বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। ভারত উভয় সিরিজেই—আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ০-২ এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ০-৪ ব্যবধানে—পরাজিত হয়।
পিটিআইকে প্রসাদ বলেন, “দল ভাল পারফর্ম করতে পারেনি বলেই যে এর দায় কেবল প্রধান কোচের ওপর চাপানো যায়, তা নয়। আমরা এ কথা বলতে পারি না যে গম্ভীর দলকে অনুপ্রাণিত করেননি। আবার একই সঙ্গে, আমরা টুর্নামেন্ট বা বিশ্বকাপ জিতেছি মানেই যে কেবল গম্ভীরই দলকে অনুপ্রাণিত করেছেন—বিষয়টি এমনও নয়। এর পেছনে অনেক বিষয়ের সমন্বয় রয়েছে। তাই গম্ভীরকে এখনই বাতিল করে দেওয়াটা বড্ড তাড়াহুড়ো হয়ে যাবে।”
(Feed Source: abplive.com)
