
হাতে ছিল মাত্র ২৩৩ রান। এই অল্প রান ডিফেন্ড করতে নেমে শুরুতেই উইকেট নেওয়া প্রয়োজন ছিল। সেটাই করে দেখান ভারতের তারকা ফাস্ট বোলার যশপ্রীত বুমরা। ইনিংসের প্রথম বলেই বেন ডাকেটকে সাজঘরে ফেরান তিনি। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ চার রানে জেকব বেথলকে ফেরালে ভারতের সমর্থকরা আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেন। এমন পরিস্থিতিতে হ্যারি ব্রুককে সঙ্গ নিয়ে ইনিংস মেরামতির কাজ শুরু করেন রুট।
ব্রুক নিজের প্রতিআক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে গিয়েই একাধিকবার স্কুপ শট মারতে গিয়ে ব্যর্থ হন। সেই স্কুপ শট মারার চেষ্টাই তাঁর কাল হয়। তাঁকে ১৬ রানে ফিরিয়ে ভারতীয় দলকে তৃতীয় সাফল্য এনে দেন গুরনুর ব্রার। স্যাম কারান এরপর মাঠে নেমে যেটুকু সময় ক্রিজে ছিলেন, তাঁকে বেশ ভালই দেখাচ্ছিল। কিন্তু ২৬ রানে তাঁকে সাজঘরে ফেরান শিবম দুবে। গত ম্যাচে ভারতের নায়ক অক্ষর পটেল জস বাটলারকে ১৭ রানে বোল্ড করলে ১২৫ রানে আধা ইংল্যান্ড দল সাজঘরে ফিরে যায়। ভারতের জয়ের আশা আরও বাড়ে।
তবে এদিন জো রুট যেন বদ্ধপরিকর হয়েই মাঠে নেমেছিলেন কিছুতেই তাঁকে ক্রিজ থেকে সরানো যাচ্ছিল না। পরিস্থিতি বুঝে খানিক ধীর গতিতে হলেও তিনি ইংল্যান্ডের ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান। ৭৬ বলে অর্ধশতরান হাঁকান ইংল্যান্ডের মহাতারকা ক্রিকেটার। উইল জ্যাকসও তাঁকে ষষ্ঠ উইকেটে যোগ্য সঙ্গ দেন। দুইজনে মিলে অর্ধশতরানের পার্টনারশিপ গড়েন। ব্রার ৩০ রানে জ্যাকসকে সাজঘরে ফেরালেও, ততক্ষণে ইংল্যান্ড জয়ের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছিল। যেটুকু যা অবশিষ্ট ছিল, তা গাস অ্যাটকিনসন ১৬ বলে ২৩ রানের ইনিংসে পূরণ করে দেন।
দুর্ভাগ্যবশত জো রুট ৯৯ রানেই অপরাজিত থেকে যান। তবে ইংল্যান্ড চার উইকেটে দুরন্তভাবে ম্যাচ জিতে সিরিজ়ে সমতায় ফেরে। এবার লর্ডসে শেষ ওয়ান ডেতেই সিরিজ়ের ভাগ্য নির্ধারিত হবে।
(Feed Source: abplive.com)
