)
Attack on Pak Military Convoy: বালোচিস্তানের মাস্তুঙ্গ জেলার খাদকোচা (Khadkocha) এলাকায় পাকিস্তানের সেনা কনভয়ের উপর বড়সড় হামলার দাবি করেছে বালোচ লিবারেশন আর্মি (BLA)। সংগঠনের দাবি, অত্যন্ত পরিকল্পিত এই হামলায় পাকিস্তানের ৪৫ জনেরও বেশি সেনা নিহত হয়েছেন।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ফের হামলা পাকিস্তানের বালুচিস্তানে। বালোচ লিবারেশন আর্মি তথা বিএলএ-র দাবি, মাং জেলার খাদকোচা এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর একটি সেনা কনভয়ের উপরে তারা হামলা চালিয়েছে। জানা গিয়েছে, ভয়ংকর এই হামলায় বিপুল রক্ত ঝরেছে। ৪৫ জনেরও বেশি পাক সেনা নিহত হয়েছে। আহতও অনেক। ওদিকে পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে অবশ্য বালোচের এই দাবি স্বীকার করা হয়নি।
ঝরল পাক রক্ত
বালোচিস্তানের মাস্তুঙ্গ জেলার খাদকোচা এলাকায় পাকিস্তানের সেনা কনভয়ের উপর বড়সড় হামলার দাবি করেছে বালোচ লিবারেশন আর্মি তথা বিএলএ (BLA)। সংগঠনের দাবি, অত্যন্ত পরিকল্পিত এই হামলায় পাকিস্তানের ৪৫ জনেরও বেশি সেনা নিহত হয়েছে। বিএলএ-র দাবি, তাদের বিশেষ ইউনিট ‘ফতাহ স্কোয়াড’ সেনা পরিবহণকারী বাসের কনভয়, নিরাপত্তারক্ষী বাহিনী এবং পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছনো অতিরিক্ত বাহিনীর উপর একযোগে হামলা চালায়।
সড়কপথে লড়াইছক
পাকিস্তানের বৃহত্তম প্রদেশ হলেও জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে বালোচিস্তান অত্যন্ত কম জনবহুল এক অঞ্চল। বিস্তীর্ণ মরু ও দুর্গম এলাকার কারণে এখানে সেনা চলাচলের জন্য কয়েকটি সড়কের উপরই মূলত নির্ভর করতে হয় পাকিস্তানের সেনাবাহিনীকে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সীমিত যোগাযোগ ব্যবস্থায় সেনা চলাচল কঠিন। তা কঠিন গোপন রাখাও। বিদ্রোহীরা এই সব রুট আগে থেকে পর্যবেক্ষণ করে উপযুক্ত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখে। এবং তার মাধ্যমে হামলার পরিকল্পনা করতে পারে। এই সব জায়গায় বিশেষ করে উঁচু কোনও জায়গা থেকে হামলা চালিয়ে প্রতিপক্ষকে কাবু করা সহজ। আর এই ভাবেই তারা শুরু থেকেই সংঘর্ষের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রাখে।
পাক গোয়েন্দাদের ব্যর্থতা?
কিন্তু এটা যে ঘটবে, তা কি পাক গোয়েন্দারা জানবেন না? বালোচিস্তান যে পাকিস্তানের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ, সে তো তাদের আরও বেশি করে জানার কথা। তাহলে কি বালোচদের এই রমরমা পাক গোয়েন্দাদের ব্যর্থতাই? এই ধরনের অনেক প্রশ্ন উঠছে।
বিদ্রোহী সংগঠন বনাম স্থানীয় বাসিন্দা
বালোচ জনগোষ্ঠীর একাংশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে অসন্তোষ রয়েছে। ফলে নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়ছে। অন্য দিকে, বিদ্রোহী সংগঠনগুলি ঠিক এই কারণেই স্থানীয় ভাবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ নানা সুবিধা পাচ্ছে বলে অভিযোগ। এর ফলে সেনা চলাচল, টহলের সময়সূচি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার নানা তথ্য বিদ্রোহীদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। কিন্তু দেশের নিরাপত্তা বাহিনী এই সব সম্ভাব্য হামলার আগাম তথ্য অনেক সময়ই পায় না।
(Feed Source: zeenews.com)
