
অভিষেক বসবেন কার আসনে ?
তবে শুধু অভিষেকের আসন বদল হয়েছে এমনটা নয়। এবার তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের আসনেও পরিবর্তন হয়েছে। আগে লোকসভার ২৮১ নম্বরের আসনে বসতেন কল্য়াণ। এবার সেই আসন বরাদ্দ করা হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য। রাজধানীর রাজনীতির অতীত বলছে, এর আগে লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্য়ায়। সেই সময় সামনের সারিতে বসতেন তিনি। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় তাকে সেই পদ থেকে সরিয়ে দেন। সেই জায়গায় লিডার হিসাবে বসানো হয় অভিষেককে।
গত সেশন পর্যন্ত ওখানেই বসতেন
গত লোকসভার সেশন পর্যন্ত সেখানেই বসতে দেখা গেছে তাঁকে। তৃণমূলের দলনেতা থাকার কারণেই ওই সামনের সারির আসন বরাদ্দ ছিল অভিষেকের জন্য। এখন ২০ জন সাংসদ তৃণমূল থেকে বেরিয়ে গেছেন। তারা আলাদা বসার জন্য লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আবেদন করেছেন। এখন লোকসভায় তৃণমূলের সাংসদ সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ৮। সেই কারণেই দ্বিতীয় সারিতে বসার আসন দেওয়া হয়েছে অভিষেককে।
সর্বদলের বৈঠকের চিঠিতে সুদীপকে NCPI-এর লোকসভার দলনেতা হিসেবে উল্লেখ
সোমবার থেকেই সংসদের বাদল অধিবেশন বসছে। ইতিমধ্যেই লেকাসভায় স্বীকৃতি পেয়েছে NCPI-তে যোগ দেওয়া ২০ বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদ। সর্বদলের বৈঠকের চিঠিতে সুদীপকে NCPI-এর লোকসভার দলনেতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি সংসদ বিষয়কমন্ত্রীর মন্ত্রীর চিঠিতে কাকলিকে NCPI-এর মুখ্যসচেতক বলে উল্লেখ রয়েছে। সেই সূত্রেই ২০ বিদ্রোহী সাংসদের জন্য আলাদা বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই বিষয়ে লোকসভার তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
‘দলত্যাগী সুদীপ-কাকলিরা কেন সর্বদল বৈঠকে?’
এদিন বাদল অধিবেশন বসার আগে সর্বদল বৈঠকের ডাক দেয় সরকার। যদিও দলত্যাগী সুদীপ-কাকলিরা কেন সর্বদল বৈঠকে, এই প্রশ্ন তুলে সর্বদল বৈঠক থেকে প্রতীকী ওয়াক আউট করে ‘কালীঘাট তৃণমূল’। সর্বদল বৈঠকেও টানটান নাটক, প্রথমে ওয়াকআউট, পরে ফের বৈঠকে যোগ দেন বিরোধীরা। পাশাপাশি সর্বদল বৈঠক থেকে প্রতীকী ওয়াকআউট করেন বিরোধীদের একাংশ।
(Feed Source: abplive.com)
