জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ওষুধের উত্পাদন ফিরিয়ে আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতি। গত মঙ্গলবার ট্রাম্প আমদানিকৃত জেনেরিক ওষুধের ওপর এই পর্যায়ক্রমিক শুল্কের কথা জানান। তিনি জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের ১ আগস্ট থেকে নতুন এই নিয়ম কার্যকর হবে। এই নীতির অধীনে প্রথম দুই বছর বিদেশি জেনেরিক ওষুধ সম্পূর্ণ শুল্কমুক্ত থাকবে। কিন্তু দুই বছর পার হলে তৃতীয় বছরে শুল্ক বাড়িয়ে ১০০ শতাংশ করা হবে। আর তার পরের সময় থেকে এই শুল্কের পরিমাণ দাঁড়াবে ২০০ শতাংশ। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক বার্তায় তিনি এই বড় সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেছেন, মার্কিন জনগণকে সুরক্ষা দিতেই এই নীতি নেওয়া হয়েছে। যেসব ওষুধ কোম্পানি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে নিজেদের কারখানা তৈরি করবে না, তাদের জরিমানা হিসেবে এই ভারী শুল্ক দিতে হবে। তবে পেটেন্ট করা, ব্র্যান্ডেড বা নতুন উদ্ভাবিত ওষুধের ক্ষেত্রে পুরনো শুল্ক নীতিই চালু থাকবে। ট্রাম্প দাবি করেন, তাঁর আগের শুল্ক নীতি সফল হয়েছে। তিনি আরও জানান, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে রেকর্ড হারে ওষুধের কারখানা তৈরির কাজ চলছে।
ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ)-র তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হওয়া মোট ওষুধের ৯০ শতাংশেরই বেশি হল জেনেরিক ওষুধ। ফলে ট্রাম্পের এই নতুন সিদ্ধান্তে বিশ্বজুড়ে ওষুধ বাজারে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধ উৎপাদন বাড়ানো এবং ‘মোস্ট-ফেভার্ড-নেশন’ নীতির মাধ্যমে ওষুধের দাম কমানোর জন্য ট্রাম্প বেশ কিছুদিন ধরেই চেষ্টা করছেন। এই নতুন সিদ্ধান্ত তারই অংশ। গত বছরও তিনি আমদানিকৃত ব্র্যান্ডেড ওষুধের ওপর শুল্ক বসানোর হুমকি দিয়েছিলেন। তখন অনেক বড় ওষুধ কোম্পানি বাধ্য হয়ে মার্কিন সরকারের সঙ্গে চুক্তি করে এবং যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন বা কম দামে ওষুধ বিক্রিতে রাজি হয়।
(Feed Source: zeenews.com)