Emiliano Martínez : বিশ্বকাপ হারের যন্ত্রণা, ভাঙা আঙুলে কেরিয়ার শেষ! মার্তিনেজ এবার যে সিদ্ধান্ত নিলেন, চমকে দেওয়ার মতো

Emiliano Martínez : বিশ্বকাপ হারের যন্ত্রণা, ভাঙা আঙুলে কেরিয়ার শেষ! মার্তিনেজ এবার যে সিদ্ধান্ত নিলেন, চমকে দেওয়ার মতো

Emiliano Martinez : আর্জেন্টিনা ফাইনালে হারল, তিনি দুর্দান্ত কিছু সেভ করলেন ফাইনাল ম্যাচে। তবুও তাঁর দেশ জিততে পারল না বিশ্বকাপ। আর তাতেই অবসর নিতে পারেন তিনি।

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে অতিরিক্ত সময়ে ১-০ গোলে হার। সেই ধাক্কা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি আর্জেন্টিনা। সেই হতাশার মধ্যেই জাতীয় দলে নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন বার্তায় তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, হয়তো আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর পথচলার সমাপ্তির সময় চলে এসেছে।

বিশ্বকাপ শেষে বুয়েনস আইরেসে ফিরে সমর্থকদের উষ্ণ অভ্যর্থনা পান মার্তিনেজ। এর পর ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘আমি স্বপ্ন দেখেছিলাম আবারও বিশ্বকাপ জিতব, আবারও আর্জেন্টিনার জন্য ইতিহাস গড়ব। কিন্তু সত্যি কথা বলতে, এই কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। অনেক কিছু নিয়ে ভাবতে হবে এবং দেখতে হবে কীভাবে সামনে এগোব, আর সময় এসেছে কি না সরে দাঁড়ানোর।’

এই বক্তব্যই আর্জেন্টিনার ফুটবল অঙ্গনে আলোড়ন তুলেছে। কারণ ২০২১ সালে জাতীয় দলে অভিষেকের পর থেকে মার্তিনেজ শুধু একজন গোলরক্ষকই নন, বরং লিওনেল মেসির অন্যতম ঘনিষ্ঠ সতীর্থ, দলের নেতা এবং ড্রেসিংরুমের অন্যতম প্রেরণাদায়ক ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

ফাইনালে পরাজয়ের পর নিজের পোস্টে সমর্থকদের কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন ৩৩ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক। তিনি বলেন, ‘আমার দেশ এবং সতীর্থদের সাহায্য করার জন্য আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। চতুর্থ তারকাটি জার্সিতে যোগ করতে না পারায় আমি সত্যিই দুঃখিত।’ নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে মার্তিনেজ ছিলেন আর্জেন্টিনার সবচেয়ে উজ্জ্বল খেলোয়াড়। ফেরান তোরেস অতিরিক্ত সময়ে স্পেনের জয়সূচক গোল করার আগে একের পর এক অবিশ্বাস্য সেভ করে দলকে ম্যাচে টিকিয়ে রেখেছিলেন তিনি। পুরো ম্যাচে তিনি ১১টি সেভ করেন, যা ১৯৬৬ সালের পর কোনো বিশ্বকাপ ফাইনালে একজন গোলরক্ষকের সর্বোচ্চ সেভের রেকর্ড। এর আগে ১৯৯৪ সালে ইতালির জিয়ানলুকা পাগলিউকা এবং ১৯৭৮ সালে আর্জেন্টিনার উবালদো ফিল্লোল সর্বোচ্চ ৮টি করে সেভ করেছিলেন।

পুরো টুর্নামেন্টেও মার্তিনেজ ছিলেন অন্যতম সফল গোলরক্ষক। গ্রুপ পর্বে জর্ডানের বিরুদ্ধে মাত্র একটি গোল হজম করার পর নকআউট পর্বে কেপ ভার্দে, সুইজারল্যান্ড, মিশর ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। বিশেষ করে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলতে বড় অবদান রাখে।
শুধু মার্তিনেজ নন, ফাইনাল হারের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়েও অনিশ্চয়তার কথা বলেছেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি।

(Feed Source: news18.com)