
বৃহস্পতিবার সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আসাদুজ্জামান বলেন, “হাসিনার দেশে ফেরার অধিকার রয়েছে। কিন্তু আইন আইনের পথে চলবে। মৃত্যুদণ্ডের সাজা পাওয়া অপরাধী হলেও বাংলাদেশের নাগরিক উনি। উনি যদি দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করতেও চান, হতে পারে তার আগেই গ্রেফতার করা হবে ওঁকে। আইন যে ক্ষমতা দিয়েছে আমাদের, তা প্রয়োগ করব।” (Bangladesh News)
বাংলাদেশ সরকার আগেই হাসিনার পাসপোর্ট বাতিল করেছে। এমন পরিস্থিতিতে কী করে দেশে ফিরবেন তিনি জানতে চাওয়া হলে আসাদুজ্জামান বলেন, “সেটা ওঁর সমস্যা, আমার নয়। যখনই আমাদের দেশের মাটিতে পা রাখবেন, আমরা আইন প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করব।”
২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পতন ঘটে। ওই দিনই প্রাণে বাঁচতে ভারতে পালিয়ে আসেন হাসিনা। সেই থেকে ভারতেই অজ্ঞাতবাসে রয়েছেন তিনি। তবে তাঁর মন পড়ে রয়েছে বাংলাদেশেই। চলতি বছরের শেষ দিকেই বাংলাদেশ ফিরতে পারেন বলে জানিয়েছেন।
এমনকি একদিন আগেই AFP-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাসিনা জানান, প্রাণহানির আশঙ্কা করলেও, বাংলাদেশ ফিরতে বদ্ধপরিকর তিনি। তিনি বলেন, “আমাকে মেরে ফেলা হতে পারে, গ্রেফতার করা হতে পারে, পাঠানো হতে পারে জেলে। আমি নিজের ভবিতব্য সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত। তার পরও ফিরে যেতে চাই। কারণ দেশের মানুষ আমাকে ডাকছেন।”
হাসিনার অনুপস্থিতিতেই ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনায় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। যেভাবে হাসিনার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে, বিচার হয়েছে, তা ‘ত্রুটিপূর্ণ’ বলে মত রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার বিভাগ থেকে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের। বাংলাদেশের তরফে ইতিমধ্যেই একাধিকবার হাসিনাকে প্রত্যর্পণের আবেদন জানানো হয়েছে দিল্লির কাছে। আইন অনুযায়ীই সব কিছু হবে বলে জানিয়েছে ভারত।
(Feed Source: abplive.com)
