
প্রথমবার পর্দায় দ্বৈত চরিত্র
নতুন ধারাবাহিক মানেই তো নতুন গল্প আর নতুন সহ-শিল্পীরা.. কেমন অভিজ্ঞতা হচ্ছে সুস্মিতার? নায়িকা বলছেন, ‘ভীষণ ভাল লাগছে। একটা নতুন গল্প, আমার কাছে অনেকগুলো নতুন চ্যালেঞ্জ। দর্শক প্রথম এপিসোডেই খুব ভাল প্রতিক্রিয়া পেয়েছি। দর্শকেরা ভালবাসছেন। তবে আমার কাছে এই ধারাবাহিকটা বেশ চ্যালেঞ্জিং। প্রথমত এই ধারাবাহিকে আমার দ্বৈত চরিত্র। ২টো চরিত্র একে অপরের থেকে ভীষণ আলাদা। পর্দায় ২টো মানুষকে আলাদাভাবে ফুটিয়ে তোলাটা আমার কাছে বেশ চ্যালেঞ্জিং। পাশাপাশি এই ধারাবাহিকের জন্য ব্যালে শিখেছি। ছোটপর্দায় এর আগে ব্যালে নিয়ে খুব একটা কাজ হয়নি। আমার তো ইচ্ছা করছে, ধারাবাহিকের পাশাপাশি ব্যালে শেখাটাও চালিয়ে যাব।’
‘তিলোত্তমা’-এ কি আরজি কর কাণ্ডের ছায়া?
‘তিলোত্তমা’-র গল্পে সত্যিই কি আরজি কর কাণ্ডের ছায়া রয়েছে? সুস্মিতা বলছেন, ‘এটা অনেকেই মনে করেছেন, বিষয়টা তেমন নয়। স্নেহাশিসদা গল্পটা নিজের মতো করে লিখেছেন। অনেক মানুষ নিজের নিজের মতো করে ধারাবাহিকটাকে ভেবেছেন। তবে এটা নিছক বিনোদনের গল্প। তবে গল্পে সমাজ, পরিস্থিতির ছায়া থাকে, এটাই স্বাভাবিক।’ রাজ্যে সরকার বদল হওয়ার পরেই কি এই ধরণের ধারাবাহিক পর্দায় নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত? সুস্মিতা হেসে বললেন, ‘একেবারেই না, এটা সম্পূর্ণ বিনোদনের জন্যই তৈরি একটা স্বতন্ত্র গল্প।’
পর্দা থেকে থিয়েটার, ‘কথা’-র পরে কেন জরুরি ছিল বিরতি?
একটা ধারাবাহিক থেকে অন্য ধারাবাহিক, মাঝের সময়টা কীভাবে নিজেকে প্রস্তুত করেন সুস্মিতা? অভিনেত্রী বলছেন, ‘কথা’-র পরে, আমার একটা বিরতি জরুরি ছিল। এত দীর্ঘ একটা সময় আমি ‘কথা’ হিসেবে বেঁচেছি, সেটাকে ভেঙে নতুন চরিত্র হয়ে ওঠার জন্য একটা সময় প্রয়োজন ছিল। সব শিল্পীরই সেটা লাগে। এর মধ্যে একটা ওয়েব সিরিজে কাজ করলাম, থিয়েটার করলাম। থিয়েটার আমায় ভীষণভাবে সাহায্য করেছে অনেককিছু শিখতে। আমার তো মনে হয়, ওটা অভিনয়ের স্কুল। সামনে আমাদের আরও শো আছে। তবে হ্যাঁ, ‘কথা’-র পরে মানুষের যেমন আমার থেকে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, আমার নিজেকে নিয়েও তো নিজের প্রত্যাশা রয়েছে। গতকালের কাজ দিয়ে, আজকের কাজটাও যেন ছাপিয়ে যেতে পারি, সেই চেষ্টা করছি রোজ।’
নেতিবাচক মন্তব্য কীভাবে সামলান সুস্মিতা?
জনপ্রিয় মুখ মানেই তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে চর্চা, কীভাবে সামলান সুস্মিতা? হেসে ফেলে অভিনেত্রী বললেন, ‘আসলে ১০০ জনের মধ্যে ১০জন খারাপ যেমন বলবেন, ৯০ জন ভাল ও বাসবেন। আমার দায়িত্ব, কাজের মাধ্যমে সেই ভালবাসাটাই ফিরিয়ে দেওয়া। কেরিয়ারের শুরু থেকেই, নেতিবাচক মন্তব্য আমায় ছোঁয় না। চোখে পড়ে না বললে ভুল হবে, কিন্তু সেদিকে মন না দিয়ে, চেষ্টা করি নিজের কাজটা মন দিয়ে করার।
(Feed Source: abplive.com)
