)
CJP Founder Abhijeet Dipke: তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, একজন সাধারণ সরকারি কর্মচারীর বেতনের টাকায় কীভাবে তাঁর ছেলের বিদেশে বিপুল খরচে উচ্চশিক্ষা সম্ভব হল। এর পাশাপাশি, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে সিজেপি বিক্ষোভকারীদের আইনি সহায়তার জন্য বর্ষীয়ান আইনজীবী ও রাজ্যসভার সংসদ সদস্য কপিল সিব্বলের ঘোষিত ১ কোটি টাকার তহবিল নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ফের বিতর্কে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিত্ দীপকে। এবার দীপকের পারিবারিক সম্পত্তি এবং দলের আর্থিক তহবিল নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সুরাতের এক আরটিআই কর্মী অমিত তিওয়ারি এই নিয়ে নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় জিএসটি বিভাগ এবং মহারাষ্ট্র সরকারের কাছে একাধিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
সুরাতের আরটিআই কর্মী অমিত তিওয়ারি প্রথমে সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপকের বাবা ভগবানরাও দীপকের আর্থিক অবস্থা খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন। ভগবানরাও দীপকে মহারাষ্ট্র সরকারের একজন প্রাক্তন জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। তিওয়ারি প্রশ্ন তুলেছেন, একজন সাধারণ সরকারি কর্মচারীর বেতনের টাকায় কীভাবে তাঁর ছেলেকে বিদেশে বিপুল খরচে উচ্চশিক্ষা নিতে পাঠানো সম্ভব হল।
এর পাশাপাশি, নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে তৈরি হওয়া একটি বিশেষ তহবিল নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। আন্দোলনের বিক্ষোভকারীদের আইনি সহায়তার জন্য বর্ষীয়ান আইনজীবী ও রাজ্যসভার সংসদ সদস্য কপিল সিব্বল সম্প্রতি ১ কোটি টাকার তহবিল দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন। তিওয়ারির মতে, সিজেপি কোনও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নয়। তা সত্ত্বেও তারা একটি রাজনৈতিক দলের নামে নিজেদের কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং অর্থ লেনদেন করছে। তাই তিনি জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১-এর ২৯এ ধারা মেনে বিষয়টির সত্যতা যাচাই করার জন্য নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ জানিয়েছেন। তাছাড়াও, কপিল সিব্বলের অনুদান দেওয়া এই ১ কোটি টাকার ওপর ১৮ শতাংশ জিএসটি প্রযোজ্য হবে কি না, তা পরীক্ষা করে দেখার জন্য তিনি কেন্দ্রীয় অপ্রত্যক্ষ কর ও শুল্ক পর্ষদকে (সিবিআইসি) চিঠি পাঠিয়েছেন।
উল্লেখ্য, নিট দুর্নীতি বিরোধী আন্দোলনের সময় দিল্লি পুলিসের হাতে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী গ্রেফতার হন। তাঁদের আইনি লড়াইয়ে সাহায্য করতেই চলতি সপ্তাহের শুরুতেই সিজেপি-র গঠিত ‘লিগ্যাল ডিফেন্স ফান্ড’-এ ১ কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন কপিল সিব্বল।
অন্যদিকে, সিজেপি সুপ্রিমো অভিজিৎ দীপকে গত শনিবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে এক বিশেষ দাবি জানিয়েছেন। তিনি গত ২০ জুলাই সংসদ অভিযানের সময় মহিলা বিক্ষোভকারীদের ওপর হওয়া পুলিসি নির্যাতনের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। এর আগে প্রধানমন্ত্রী তাঁর একটি ভিডিয়ো বার্তায় আন্দোলনকারীদের ক্ষমা করে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। সেই বার্তার পরেই দীপকে নতুন অভিযোগ তুলে ধরে বলেন যে, ২০ জুলাইয়ের লাঠিচার্জের সময় মহিলা ও নাবালিকা বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিস চরম অত্যাচার চালিয়েছে। একই সঙ্গে সিজেপি প্রধান প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই ক্ষমা কি কেবল মুখেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি আন্দোলনের কারণে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে করা সমস্ত অপরাধমূলক মামলাও তুলে নেওয়া হবে?
(Feed Source: zeenews.com)
