)
Plane Crash: বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ার পরপরই আগুন ধরে যায়। আগুনের দাপটে উদ্ধারকারী দল সময়মতো বিমানের কাছে পৌঁছাতে পারেননি
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: পর্যটকদের এলাকা ঘুরে দেখাতে গিয়ে ভয়ংকর দুর্ঘটনার কবলে যাত্রীবাহী বিমান। ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ছোট যাত্রী বিমানটি ভেঙে পড়ে। দাউদাউ আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায় বিমানটি। ঘটনাস্থলেই ঝলসে মৃত্যু ১১ পর্যটক ও ২ বিমানকর্মীর। শনিবার মর্মান্তিক ওই ঘটনাটি ঘটেছে পেরুতে।
শনিবার পেরুর বিখ্য়াত ‘নাজকা লাইনস’ দেখানোর জন্য পেরুর পিসকে এলাকা থেকে আকাশে ওড়ে। লক্ষ্য ছিল পেরুর মরুভূমির বুকে আঁকা ভূ-চিত্র পর্যটকদের দেখানো। কিন্তু ওড়ার পরই ঘটে যায় ভয়ংকর ওই দুর্ঘটনা।
আন্তর্জাতিক এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, বিমানটি মাটিতে আছড়ে পড়ার পরপরই আগুন ধরে যায়। আগুনের দাপটে উদ্ধারকারী দল সময়মতো বিমানের কাছে পৌঁছাতে পারেননি। ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা তা এখনও জানা যায়নি।
বিমানটি ‘এয়ারোডিয়ানা’ নামের পেরুর একটি সংস্থার। এটি নাজকা লাইনসের ওপর দর্শনীয় জায়গাগুলি ঘুরিয়ে দেখায়।
নাজকা লাইনস
দক্ষিণ পেরুর এই নাজকা লাইনস দেশটির অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন আকর্ষণ। খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০ অব্দ থেকে ৫০০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে তৈরি এই বিশাল ভূ-চিত্রগুলো পুরো মরুভূমি জুড়ে বিস্তৃত, যা কেবল আকাশপথ থেকেই দেখা সম্ভব। মরুভূমির বুকে আঁকা রয়েছে বানর, হামিংবার্ড ও বিড়ালের মতো প্রাণী, নানা জ্যামিতিক নকশা এবং গাছের আকৃতি।
ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃত এই নাজকা লাইনসকে সংস্থাটি “প্রত্নতত্ত্বের অন্যতম বড় রহস্য” বলে বর্ণনা করেছে, কারণ এগুলো সংখ্যায় অনেক, বিশাল আকারের এবং একের পর এক আঁকা রয়েছে।
ইউনেস্কোর মতে, মরুভূমির বুকে এইসব ছবিগুলি গাছপালা এবং কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ জ্যামিতিক নকশার মতো। মনে করা হয় করা হয় যে এগুলো জ্যোতির্বিদ্যা ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের কাজে ব্যবহৃত হত।
পেরুর বিখ্যাত মাচু পিচু, কুসকোর পর নাজকা লাইনস অন্যতম দর্শনীয় স্থান। পেরুর বিদেশ মন্ত্রকের পরিসংখ্য়ান অনুযায়ী ২০২৫ সালে দেশটিতে ৪১ লাখের বেশি আন্তর্জাতিক নাজকা লাইনস দেখতে এসেছিলেন।
(Feed Source: zeenews.com)
