জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: সইফ আলি খান এবং অমৃতা সিংয়ের ১৯৯১ সালের বিয়ে নিয়ে বলিউডে বিতর্কের শেষ নেই। ২১ বছরের সাইফের সঙ্গে তাঁর চেয়ে ১২ বছরের বড় অমৃতার বিয়ের সিদ্ধান্ত সেই সময় ব্যাপক শোরগোল ফেলেছিল। এবার সেই বিতর্কিত বিয়ে ঘিরে সামনে এল আরও এক বিস্ফোরক তথ্য— নিজের দাদার বিয়েতে নাকি উপস্থিতই ছিলেন না দুই বোন সোহা আলি খান ও সাবা পতৌদি! সম্প্রতি নেহা ধুপিয়ার একটি শো-তে হাজির হয়ে তাঁদের বিয়ে ঘিরে তৈরি হওয়া সেই চরম গোপনীয়তার স্মৃতি তুলে ধরেন সাইফের দুই বোন।
সাবা ও সোহা জানান, সইফ যখন অমৃতাকে বিয়ে করেন, তখন তাঁরা দুজনেই ছিলেন স্কুলে। সাবা জানান, “হঠাৎই আমাদের স্কুলের প্রিন্সিপালের ঘর থেকে ফোন আসে। বলা হয়, বাড়ির লোক ফোনে কথা বলবেন। ফোন ধরে শুনলাম, আমাদের কড়া নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে— এই বিষয়ে যেন বাইরে কাউকে একটা কথাও না বলি! সংবাদপত্রগুলোতে ততক্ষণে খবর ছাপা হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু পরিবার থেকে আমাদের চুপ থাকতে বলা হয়েছিল।” সোহা আলি খান জানান, তখন তাঁর বয়স মাত্র ১৩ এবং সাবার ১৫ বছর। সোহা এক চমকপ্রদ তথ্য দিয়ে বলেন, “আমার ফরাসি ভাষার শিক্ষক প্রথম আমাকে জানান যে আমার দাদা নাকি বিয়ে করে ফেলেছে! পুরো ব্যাপারটাই এত তড়িঘড়ি এবং গোপনে করা হয়েছিল যে আমরা বিয়েতে যেতেই পারিনি।”
বিয়ের নেপথ্যে নাটকীয়তা ও বিচ্ছেদ
১৯৯১ সালে এই বিয়ে পতৌদি পরিবারের কাছে একেবারেই চমক ছিল। মাত্র ২১ বছর বয়সে বলিউডে পা রাখার সময়েই নিজের থেকে বয়সে বড় ও প্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী অমৃতাকে গোপনে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত দুই পরিবারই সহজে মেনে নিতে পারেনি। দুই বোনের অনুপস্থিতি প্রমাণ করে তৎকালীন সময়ে পরিস্থিতি কতটা জটিল ছিল। দীর্ঘ ১৩ বছর সংসার করার পর ২০০৪ সালে সইফ ও অমৃতার বিচ্ছেদ ঘটে। তাঁদের দুই সন্তান সারা আলি খান ও ইব্রাহিম আলি খান বর্তমানে বলিউডে অভিনয় করছেন। পরবর্তীতে ২০১২ সালে সইফ বিয়ে করেন কারিনা কাপুরকে। তবে এত বছর পর সোহা ও সাবার এই স্বীকারোক্তি সইফ-অমৃতার সেই বিতর্কিত বিয়ের নেপথ্য রহস্যকে ফের নতুন করে চর্চায় নিয়ে এল।
(Feed Source: zeenews.com)