
গ্লোবাল আরবিট্রেশন রিভিউ-এর রিপোর্টে বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। Oschadbank জানিয়েছে, যুদ্ধ চলাকালীন রাশিয়া যে সামরিক পদক্ষেপ করেছে, তাতে ডনেৎস্ক, লুহান্সক, খেরসন, জাপোরিঝিয়া অঞ্চলে তাদের কাজকর্ম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২০২২ সালে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যে আগ্রাসন দেখিয়েছে রাশিয়া, তাতের বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তাদের। (CJI DY Chandrachud)
‘বার অ্যান্ড বেঞ্চ’ জানিয়েছে, ১৯৯৮ সালে রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ চুক্তির আওতায় মামলাটির শুনানি হতে চলেছে। Oschadbank-এর দাবি, তাদের হাজার হাজার কোটি টাকা ডুবে গিয়েছে। আন্তর্জাতিক সালিশি ট্রাইব্যুনালের তিন সদস্যের মধ্যে রয়েছেন কস্টা রিকার মধ্যস্থতাকারী তথা প্রাক্তন বাণিজ্যমন্ত্রী দিয়ালা জিমিনেজ়। তিনি ট্রাইব্যুনালের প্রেসিডেন্টও। রাশিয়া এবং Oschadbank-দু’পক্ষই তাঁর নামে সিলমোহর দিয়েছে।
পাশাপাশি, গ্রিসের মধ্যস্থতাকারী তথা ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুরের অধ্যাপক স্তাভরস ব্রেকুলাকিসকে নির্বাচন করেছে Osachadbank. ভারতের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড়কে বেছে নিয়েছে রাশিয়া।
বিপুল ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ২০২৫ সালের জুলাই মাসেই রাশিয়াকে নোটিস ধরিয়েছিল Osachadbank. তাদের তরফে কোনও সাড়া না মেলায় আন্তর্জাতিক সালিশি ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তারা।
এর আগেও চন্দ্রচূড়কে তাদের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার প্রস্তাব দেয় রাশিয়া। রাশিয়ার গ্যাস ও তৈল উৎপাদনকারী সংস্থা Wintershall Dea এবং ইউক্রেনের সরকারি বিদ্যুৎ সরবরাহকারী সংস্থা Ukrenergo-র মধ্যে বিরোধের নিষ্পত্তি করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। কিন্তু সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন চন্দ্রচূড়। জানা গিয়েছে, যেদিন ‘পার্মানেন্ট কোর্ট অফ আরবিট্রেশনে’র তরফে Wintershall-এর হয়ে প্রতিনিধিত্ব করতে বলা হয় তাঁকে, ওই একই দিনে পরের মামলাটি নিয়ে যোগাযোগ করা হয় তাঁর সঙ্গে। তাই আগের মামলাটি থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন তিনি।
Oschadbank-এর দাবি, রাশিয়ার সামরিক পদক্ষেপের জেরে প্রচুর সম্পত্তিহানি হয়েছে তাদের। পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে আর কাজ চালিয়ে যেতে পারছে না তারা। যে চারটি অঞ্চল দখল করে রেখেছে রাশিয়া, সেখানে তাদের সব কাজকর্ম বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
এর আগেও রাশিয়ার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সালিশি ট্রাইব্যুনালে যায় Oschadbank. তারা জানায়, ২০১৪ সালে রাশিয়া ক্রাইমিয়ায় কর্তৃত্ব স্থাপন করার পর, সেখানে Oschadbank-এর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়। সেই মামলায় রাশিয়াকে ১.১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ গিতে বলা হয়েছিল। পরে অর্থের অঙ্ক বাড়িয়ে তাতে সুদও যুক্ত করা হয়।
(Feed Source: abplive.com)
