ডায়াবেটিসের কোন লক্ষণগুলো অধিকাংশ ভারতীয় উপেক্ষা করেন? কীভাবে সচেতন হওয়া যায়, তা জেনে নিন

ডায়াবেটিসের কোন লক্ষণগুলো অধিকাংশ ভারতীয় উপেক্ষা করেন? কীভাবে সচেতন হওয়া যায়, তা জেনে নিন

 

Lifestyle

oi-Oneindia Staff

আধুনিক মেডিক্যাল গবেষণায় ভারতকে বিশ্বের ‘ডায়াবেটিস রাজধানী’ বলা হয়। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ (ICMR)-এর সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা তো বাড়ছেই। একইসঙ্গে ভারতে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যার চেয়েও উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে প্রি-ডায়াবেটিসে (Prediabetes) আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা। প্রি-ডায়াবেটিস হল এমন একটি অবস্থা, যেখানে রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে, কিন্তু তা পূর্ণাঙ্গ টাইপ-২ ডায়াবেটিস হিসেবে চিহ্নিত করার মতো যথেষ্ট উচ্চ নয়।

Prediabetes
फोटो क्रेडिट: Sun Pharma

সবচেয়ে বিপজ্জনক বিষয় হল, প্রি-ডায়াবেটিসের কোনও স্পষ্ট লক্ষণ থাকে না। এটি অত্যন্ত নিঃশব্দে শরীরে বাসা বাঁধে। তবে শরীর কিছু সূক্ষ্ম ও নীরব সংকেত দেয়, যা বিশেষ করে আমরা ভারতীয়রা Gyaan by Ganesh – Making India Win Over Diabetes- হল আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে পার্টনারশিপে সান ফার্মা কর্তৃক নেওয়া এক সচেতনতামূলক উদ্যোগ। মূল উদ্দেশ্য হল বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনে ভারতীয়দের ডায়াবেটিস সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানো, এটিকে আটকানো।

প্রি-ডায়াবেটিস কী?

চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায়, একজন সুস্থ মানুষের খালি পেটে রক্তে শর্করার মাত্রা ১০০ mg/dL-এর কম থাকা উচিত। যদি এই মাত্রা ১০০ থেকে ১২৫ mg/dL-এর মধ্যে থাকে, কিংবা বিগত ৩ মাসের গড় শর্করার মাত্রা বা HbA1c যদি ৫.৭% থেকে ৬.৪%-এর মধ্যে থাকে, তবে তাকে প্রি-ডায়াবেটিস বলা হয়। এটি আসলে একটি সতর্ক সংকেত। এই অবস্থায় জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনলেই ডায়াবেটিস পুরোপুরি প্রতিরোধ করা সম্ভব।

“প্রি-ডায়াবেটিস হল একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক পর্যায়, যেখানে রক্তে শর্করার মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে কিন্তু তা এখনও ডায়াবেটিসের পর্যায়ে পৌঁছয়নি। এটি প্রায়শই কোনও স্পষ্ট উপসর্গ ছাড়াই শরীরে বাসা বাঁধে, যার কারণে রোগটি জটিল আকার ধারণ করার আগে পর্যন্ত অনেকেই এই বিষয়ে সচেতন থাকেন না। প্রাথমিক পরীক্ষা, নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম, সুষম পুষ্টি, ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দিতে পারে।”

DR. SAYAN GHOSH, MD (MEDICINE), DM (ENDOCRINOLOGY), CONSULTANT ENDOCRINOLOGIST, KOTHARI MEDICAL CENTRE, KOLKATA

Dr Sayan
फोटो क्रेडिट: Sun Pharma

কোন কোন লক্ষণ অধিকাংশ মানুষ অবহেলা করেন!

১. ঘাড় ও বগলের ত্বকে কালচে ভাব

অধিকাংশ ভারতীয়ই ঘাড়ের পিছন দিক, বগল বা কনুইয়ের ত্বকের কালচে ছোপকে রোদে পোড়া তামাটে ভাব (Sun tan) বা ময়লা জমে থাকা মনে করে ভুল করেন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় অ্যাকান্থোসিস নাইগ্রিকানস। শরীরে ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে গেলে (Insulin Resistance) রক্তে অতিরিক্ত ইনসুলিন জমতে শুরু করে। এই অতিরিক্ত ইনসুলিন ত্বকের কোষগুলোকে দ্রুত বৃদ্ধি করে, যার ফলে ত্বক পুরু ও কালচে হয়ে যায়।

২. অতিরিক্ত ‘স্কিন ট্যাগ’ বা আঁচিল দেখা দেওয়া

ঘাড়, গলা বা বগলের চারপাশে হঠাৎ করে ছোট ছোট নরম মাংসপিণ্ড বা আঁচিল (Skin Tags) দেখা দেওয়া ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের অন্যতম প্রধান লক্ষণ। শরীরে শর্করার বিপাক ক্রিয়া ব্যাহত হলে এই ধরনের সমস্যা দেখা দেয়, যা আমরা সাধারণত গুরুত্বহীন মনে করি।

৩. খাওয়ার পর তীব্র ক্লান্তি ও ঝিমুনি

দুপুরের ভারী খাবার (যেমন-ভাত বা রুটি) খাওয়ার পর হালকা অলসতা আসা স্বাভাবিক। কিন্তু খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই যদি শরীর একেবারে ভেঙে আসে, প্রচণ্ড ঝিমুনি বা ক্লান্তি জাপটে ধরে, তবে তা প্রি-ডায়াবেটিসের লক্ষণ হতে পারে। কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পর শরীর যখন ইনসুলিনকে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারে না, তখন কোষগুলি শক্তি পায় না। ফলে রক্তে শর্করা থাকা সত্ত্বেও শরীর ক্লান্ত বোধ করে।

৪. ছোটখাটো ক্ষত শুকোতে দীর্ঘ সময় লাগা

পায়ে বা হাতে কোনও ছোট কেটে যাওয়া, ছড়ে যাওয়া বা মশার কামড়ের দাগ যদি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় নেয় শুকোনোর জন্য, তবে সতর্ক হওয়া জরুরি। রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে থাকলে তা শরীরের রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয় এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে দুর্বল করে। ফলে শরীরের স্বাভাবিক নিরাময় ক্ষমতা কমে যায়।

৫. ঘন ঘন মিষ্টি খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা

ব্লাড সুগার ওঠানামা করার কারণে কোষগুলো পর্যাপ্ত গ্লুকোজ পায় না। এর ফলে মস্তিষ্ক বারবার শর্করার অভাব বোধ করে এবং তীব্র মিষ্টি বা রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট (যেমন ফাস্টফুড, বিস্কুট, চিপস) খাওয়ার সংকেত পাঠায়। পেট ভরা থাকার পরেও যদি বারবার মিষ্টি খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা জাগে, তবে তা ইনসুলিনের ভারসাম্যহীনতার লক্ষণ।

৬. দৃষ্টিশক্তি সাময়িক আবছা হয়ে যাওয়া

চোখের চশমার পাওয়ার ঠিক থাকা সত্ত্বেও মাঝেমধ্যে হঠাৎ সবকিছু কিছুটা আবছা বা ঝাপসা দেখা এবং কিছুক্ষণ পর তা আবার ঠিক হয়ে যাওয়া প্রি-ডায়াবেটিসের একটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম লক্ষণ। রক্তে শর্করার মাত্রা আচমকা বেড়ে গেলে চোখের লেন্সের চারপাশের তরলের ভারসাম্যে পরিবর্তন আসে, যার ফলে লেন্সের আকৃতি সাময়িকভাবে বদলে যায় এবং দৃষ্টি ঝাপসা লাগে।

ভারতীয়রা কেন এই ঝুঁকির মুখে সবচেয়ে বেশি?

ভারতীয়দের ক্ষেত্রে প্রি-ডায়াবেটিসের ঝুঁকি জিনগত এবং গঠনগতভাবেই কিছুটা বেশি। চিকিৎসকেরা একে বলেন “এশিয়ান ইন্ডিয়ান ফেনোটাইপ”।

অনেক ভারতীয়কে বাইরে থেকে দেখতে রোগা বা ফিট মনে হলেও, তাদের লিভার এবং প্যানক্রিয়াসের চারপাশে বিপজ্জনক চর্বি বা ভিসারাল ফ্যাট (Visceral Fat) জমা থাকে (Thin Outside, Fat Inside)। এর ফলে আপাতদৃষ্টিতে সুস্থ মানুষেরও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়।

আমাদের প্রতিদিনের খাবারে ভাত, রুটি এবং ভাজাভুজির পরিমাণ প্রোটিন ও ফাইবারের চেয়ে অনেক বেশি থাকে। এই অতিরিক্ত রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট প্যানক্রিয়াসের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রি-ডায়াবেটিস কোনও স্থায়ী রোগ নয়, এটি একটি অবস্থা। শরীরে যখন এই সূক্ষ্ম লক্ষণগুলি দেখা যায়, তখন অলসতা না করে অবিলম্বে একটি HbA1c টেস্ট করা উচিত। কারণ এই স্তরে এসে প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটা, খাবারে কার্বোহাইড্রেট কমিয়ে প্রোটিন ও শাকসবজি বাড়ানো এবং ওজন মাত্র ১০% কমাতে পারলেও ডায়াবেটিসের হাত থেকে অনেকাংশে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

কাদের সবচেয়ে বেশি সতর্ক থাকতে হবে?

এমন কিছু বিষয় রয়েছে যা কোনও ব্যক্তির প্রি-ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। আপনার যদি নিচে উল্লেখিত কোনও একটি বা একাধিক বৈশিষ্ট্য থাকে, তবে আজই সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

বংশগত বা পারিবারিক ইতিহাস: পরিবারে (বাবা, মা, দাদা বা দিদি) যদি ডায়াবেটিসের ইতিহাস থাকে, তবে আপনার জিনগতভাবেই প্রি-ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অনেক বেশি।

পেটে অতিরিক্ত মেদ (Central Obesity): অনেক সময় পুরো শরীর মোটা না হলেও শুধু পেট ও কোমরের চারপাশে চর্বি জমে। ভারতীয়দের ক্ষেত্রে এই ‘ভিসারাল ফ্যাট’ বা পেটের অভ্যন্তরীণ চর্বি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের প্রধান কারণ। পুরুষদের কোমরের মাপ ৯০ সেমি (৩৫ ইঞ্চি) এবং নারীদের ৮০ সেমি (৩১ ইঞ্চি) এর বেশি হলে ঝুঁকি বাড়ে।

শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা বা অলস জীবনযাপন: যারা ডেস্কে বসে একটানা দীর্ঘক্ষণ কাজ করেন, শারীরিক পরিশ্রম বা হাঁটাচলা একেবারেই করেন না, তাদের পেশিগুলো রক্ত থেকে গ্লুকোজ সঠিকভাবে শোষণ করতে পারে না।

বয়স ৩০ বা তার বেশি: যদিও আগে মনে করা হতো ৪৫ বছরের পর ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে, কিন্তু বর্তমান ভারতীয় প্রেক্ষাপটে খারাপ মানের জীবনযাত্রার কারণে ৩০ বছর বয়সের পর থেকেই প্রি-ডায়াবেটিসের স্ক্রিনিং শুরু করা উচিত।

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম (PCOS): যেসব নারীর পিসিওএস বা পিসিওডির সমস্যা রয়েছে, তাদের শরীরে হরমোনের ভারসাম্যের পাশাপাশি ইনসুলিনের কার্যকারিতাও কমে যায়। ফলে তাদের প্রি-ডায়াবেটিসের ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি থাকে।

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস (Gestational Diabetes): গর্ভাবস্থায় যেসব নারীর ব্লাড সুগার বেড়ে গিয়েছিল বা যারা ৯ পাউন্ডের (৪ কেজির বেশি) বেশি ওজনের সন্তান প্রসব করেছেন, তাদের পরবর্তীতে প্রি-ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল: যাদের রক্তচাপ ১৪০/৯০ mmHg-এর বেশি বা যাদের রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বেশি এবং ভালো কোলেস্টেরল (HDL) কম, তাদের বিপাকীয় প্রক্রিয়া দুর্বল থাকে।

এমন সমস্যায় পড়লে বা লক্ষণ দেখা দিলে কী করতে হবে?

প্রি-ডায়াবেটিস হল একটি “রিভার্সিবল কন্ডিশন” (Reversible Condition)। অর্থাৎ, সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিলে আপনি আবার সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারবেন এবং ডায়াবেটিসকে চিরতরে আটকে দিতে পারবেন। এর জন্য ৫টি ধাপে কাজ করতে হবে:

১. সঠিক পরীক্ষা ও চিকিৎসকের পরামর্শ (Medical Screening)

লক্ষণ দেখা দিলে বা ঝুঁকি থাকলে ঘরে বসে না থেকে অবিলম্বে ল্যাবরেটরিতে গিয়ে রক্ত পরীক্ষা করান।
যদি আপনার রিপোর্ট প্রি-ডায়াবেটিস জোনে (HbA1c: 5.7% – 6.4%) থাকে, তবে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। অনেক সময় চিকিৎসক প্রাথমিক অবস্থায় জীবনযাত্রা পরিবর্তনের পাশাপাশি সামান্য ওষুধ দিতে পারেন।

২. খাদ্যতালিকায় আমূল পরিবর্তন (Dietary Overhaul)

খাবার খাওয়া বন্ধ করা নয়, বরং খাবারের ধরন বদলানোই আসল চাবিকাঠি। কার্বোহাইড্রেট কমান, ফাইবার বাড়ান: সাদা ভাত, ময়দা, চিনি, বিস্কুট, মুড়ি এবং প্যাকেজড ফুড খাওয়া দ্রুত কমিয়ে দিন। এর বদলে লাল চালের ভাত, ওটস, ডালিয়া, আটার রুটি এবং প্রচুর পরিমাণে সবুজ শাকসবজি খান।

প্লেট মেথড (Plate Method) অনুসরণ করুন: আপনার দুপুরের বা রাতের খাবারের থালার অর্ধেক অংশ জুড়ে থাকবে শাকসবজি ও স্যালাড, এক-চতুর্থাংশ (১/৪) অংশ থাকবে প্রোটিন (মাছ, মুরগি, ডিম বা পনির) এবং বাকি এক-চতুর্থাংশ অংশ জুড়ে থাকবে কার্বোহাইড্রেট (ভাত বা রুটি)।

মিষ্টি পানীয় বর্জন: কোল্ড ড্রিংকস, প্যাকেটজাত ফলের রস এবং চিনি দেওয়া চা-কফি পুরোপুরি বন্ধ করুন।

৩. শারীরিক সক্রিয়তা বাড়ানো (Physical Exercise)

ব্যায়াম করলে পেশিগুলি ইনসুলিন ছাড়াই রক্ত থেকে অতিরিক্ত গ্লুকোজ ব্যবহার করতে পারে।

কার্ডিও ব্যায়াম: সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি ধরনের ব্যায়াম (যেমন-দ্রুত হাঁটা, সাইকেল চালানো, সাঁতার কাটা) করতে হবে। দিনে ৩০ মিনিট করে সপ্তাহে ৫ দিন।

স্ট্রেংথ ট্রেনিং: সপ্তাহে ২ দিন হালকা ওজনের ব্যায়াম বা ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ করুন। এটি পেশির ভর বাড়ায় এবং ইনসুলিনের কার্যকারিতা উন্নত করে।

৪. ওজন ও মেদ নিয়ন্ত্রণ (Weight Management)

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, আপনার বর্তমান ওজনের মাত্র ১০% মতো কমাতে পারলে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ৬০% কমে যায়।

৫. মানসিক চাপ কমানো ও পর্যাপ্ত ঘুম (Stress & Sleep)

ঘুমের গুরুত্ব: দৈনিক ৭-৮ ঘণ্টার গভীর ঘুম অত্যন্ত জরুরি। কম ঘুমালে শরীরে ‘কর্টিসল’ নামক স্ট্রেস হরমোন বাড়ে, যা ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমিয়ে রক্তে সুগারের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট: অতিরিক্ত মানসিক চাপ ব্লাড সুগার বাড়াতে সরাসরি ভূমিকা রাখে। তাই যোগ, মেডিটেশন করতে পারেন। অথবা পছন্দের কোনও শখের কাজের মাধ্যমে মনকে শান্ত রাখার চেষ্টা করুন।

ডিসক্লেমার: এই বিষয়টি শুধুমাত্র রোগীদের শিক্ষা ও সচেতনতার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। এটি কোনও চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারের পরামর্শ বা উপদেশের বিকল্প নয়। সান ফার্মাসিউটিক্যালস ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড (SPLL) সঠিক এবং সময়োপযোগী তথ্য প্রদান করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করে। তবে এই বিষয়ে কোনও গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তা দেয় না। আপনার শুধুমাত্র একজন চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যসেবা পেশাদারের সঙ্গে পরামর্শ করা এবং তাঁদের দেওয়া উপদেশের ওপরই নির্ভর করা উচিত। সান ফার্মাসিউটিক্যালস ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড (SPLL)-এর অনুমতি ব্যতীত এর কোনও অংশ যান্ত্রিক অথবা ইলেকট্রনিক কোনও উপায়ে বা মাধ্যমে পুনরুৎপাদন, প্রেরণ বা সংরক্ষণ করা যাবে না। SPI-IN-CVD-ZT—07-20260406

(Feed Source: oneindia.com)