বিসিসিআইয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসছেন লক্ষ্মণ, আগরকর অধ্য়ায় কি শেষের পথে?

বিসিসিআইয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসছেন লক্ষ্মণ, আগরকর অধ্য়ায় কি শেষের পথে?

 

মুম্বই: বিসিসিআইয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে এবার হয়ত ভিভিএস লক্ষ্মণ। বেঙ্গালুরুতে অবস্থিত সেন্টার অফ এক্সেলেন্সের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার। কিন্তু শোনা যাচ্ছে বিসিসিআইয়ের ডিরেক্টর অফ ক্রিকেট হিসেবে দেখা যেতে পারে কিংবদন্তি এই টেস্ট ব্যাটারকে। ইন্ডিয়া টু-ডের রিপোর্ট অনুযায়ী আগামী সেপ্টেম্বরে বিসিসিআইয়ের নির্বাচক কমিটির প্রধানের পদ থেকে সরে যেতে দেখা যেতে পারে অজিত আগকরকেও। তাঁর মেয়াদ শেষ হচ্ছে সেপ্টেম্বরেই।

আগরকরের সময়ে ভারতীয় দল চ্য়াম্পিয়ন্স ট্রফি ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল। কিন্তু তারপরও চূড়ান্ত সমালোচিত হতে হয়েছে আগরকরকে বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে, দল বাছাই নিয়ে। এই পরিস্থিতিতে লক্ষ্মণ বিসিসিআইয়ের ডিরেক্টর অফ ক্রিকেট হয়ে আসলে হয়ত তাঁর ক্ষমতা বাড়তে পারে। ভারতীয় দলের আগামীর রোডম্য়াপ তৈরি, ক্রিকেটারকে পর্যবেক্ষণ থেকে শুরু করে দল বাছাই, সব কিছুতেই হয়ত লক্ষ্মণের ভূমিকা থাকবে।

ইতিমধ্য়েই অনূর্ধ্ব ১৯ দলের সঙ্গে কাজ করেছেন লক্ষ্মণ। যদিও কখনও পূর্ণাঙ্গ সময়ের জন্য কোচ হিসেবে দায়িত্ব সামলাননি তিনি। কিন্তু রাহুল দ্রাবিড়ের কোচ থাকার সময়ে তাঁর অনুপস্থিতিতে বিভিন্ন সফরে কোচ হিসেবে গিয়েছেন। গৌতম গম্ভীরের কোচিং পিরিয়ডেও কিছুদিন আগেই জিম্বাবোয়ে সফরে গিয়েছিল ভারতীয় দল। সেখানেও কোচ হিসেবে দেখা গিয়েছিল লক্ষ্মণকে। শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বে সেই সফরে টি-টোয়েন্টি সিরিজও জিতেছে ভারত।

কিছুদিন আগেই বেঙ্গালুরুর সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে সাংবাদিক বৈঠক করে লক্ষ্মণ বলেন, ‘সিওই ও মহিলা এবং পুরুষ – উভয় দলের টিম ম্যানেজমেন্ট, স্পোর্টস সায়েন্স ও মেডিসিন স্টাফ এবং নির্বাচক কমিটির মধ্যে দারুণ সমণ্বয় রয়েছে। পদ্ধতিটা হল, ক্রিকেটারদের ফিটনেস কীরকম জানতে চেয়ে নির্বাচকেরা সিওই-র কাছে রিপোর্ট চায়। আমরা সেই রিপোর্ট সংগ্রহ করে নির্বাচক কমিটির প্রধানের কাছে পাঠিয়ে দিই। তার প্রতিলিপি পাঠানো হয় সংশ্লিষ্ট দলের হেড কোচ এবং ভারতীয় বোর্ডের কাছে।’

ভারতীয় ক্রিকেটারদের ক্রমাগত চোট আঘাত সমস্যা নিয়েও প্রশ্নের জবাব দিয়েছিলেন লক্ষ্মণ। তিনি বলেন, ‘বুমরা ও ও সুদর্শন ফিট হলে তবেই নেওয়া হতো শ্রীলঙ্কা সিরিজের দলে। আর আমি যেরকম বললাম, ওদের পর্যবেক্ষণ করে এক পর্ব থেকে আর এক পর্বে যেতে হয়। যদি ওদের উন্নতি ধীর গতিতে হয়, সেটা নির্বাচক কমিটির প্রধানকে ও হেড কোচকে জানাতে হয়। ওঁরা বুঝতে পারেন যে ওই ক্রিকেটার সিরিজের জন্য এখনও তৈরি নয়। সব সময়ই প্লেয়ার ও দল কেন্দ্রিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সব সময় এই সমণ্বয় সাধন করা হয়।’

(Feed Source: abplive.com)