
গিল টস জিতে গত টেস্টের দল নিয়েই মাঠে নামার সিদ্ধান্ত কথা জানান। তিনি ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেন। সেই সিদ্ধান্তকে সঠিক প্রমাণ করে দুই ওপেনার যশস্বী ও কেএল রাহুল বেশ ভালভাবেই করেছিলেন। কেএল রাহুল দেখেশুনে ব্য়াটিং করছিলেন, আর যশস্বী নিজের স্বভাবচিত ভঙ্গিমায়, আগ্রাসী ব্যাটিংয়েই দলের স্কোর এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। বাঁ-হাতি ওপেনারের স্ট্রোক প্লে ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে এক মুহূর্তের ভুল বোঝাবুঝিতেই সবটা বদলে যায়। কেএল রাহুল ও যশস্বী উভয়েই ক্রিজের একদিকে ঢোকার চেষ্টা করেন। শেষমেশ আম্পায়ার দেখেন রাহুলই আগে ক্রিজে প্রবেশ করেছেন, তাই যশস্বীকে আউট দেওয়া হয়।
৩২ রানে ভারতীয় ওপেনার ফেরার পর রাহুলকে সঙ্গ দিতে নামেন দেবদত্ত পাড়িক্কাল। তিনিও দৃষ্টিনন্দন বেশ কয়েকটি শট খেলে দলের স্কোর এগিয়ে নিয়ে যান। অপরপ্রান্তে একাগ্রতার প্রতীক হয়ে উঠা রাহুল একেবারে শান্ত মেজাজে বল দেখেশুনে নিজের ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান। লাঞ্চে দুইজনেই অর্ধশতরানের দোরগোড়ায় ছিলেন। বৃষ্টির জেরে দীর্ঘ সময় খেলা বন্ধ থাকার পর, অবশেষে মাঠে নেমে দুই ব্যাটারই নিজের অর্ধশতরান পূরণ করেন। ভারতের ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান। দ্বিতীয় সেশনে যাতে আর কোনওরকম উইকেট না পরে, সেই বিষয়ও নিশ্চিত করেন রাহুল ও পাড়িক্কাল।
প্রথম সেশনে ১০১ রান যোগ করার পর দ্বিতীয় সেশনে দুইজনে ৯৬ রান যোগ করেন। ১৫০ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ফেলেন। মাত্র এক উইকেট হারিয়েই ১৯৭ রানে চা পানের বিরতিতে যায় ভারত। তবে চা পানের বিরতির পরে রাহুল খিঁচের জেরে ব্যাটিংই করতে নামতে পারেননি। রিটায়ার্ড হার্ট হন তিনি। তাঁর জায়গায় গিল ব্যাটিংয়ে নামেন। তবে ভারতীয় অধিনায়ক এদিন বড় রান করতে পারেননি। তিনি ১৬ রানে সাজঘরে ফেরেন। অবশ্য পাড়িক্কালকে সাজঘরে ফেরানো যায়নি। তিনি নিজের ইনিংস চালিয়ে যান।
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর প্রথম ভারতীয় হিসাবে টেস্টে তিন নম্বরে নেমে ভারতের হয়ে সেঞ্চুরি হাঁকানো পাড়িক্কালের কেরিয়ারেরও এটি প্রথম আন্তর্জাতিক শতরান। তিনি পন্থের সঙ্গে মিলে দলকে বড় রানের পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।
(Feed Source: abplive.com)
