Smartphone RAM : স্মার্টফোনে কত র‍্যাম হলেই আপনার জন্য যথেষ্ট? 8 নাকি 12GB? অনেকেই জানেন না, অকারণে বেশি টাকা খরচ করে ফোন কেনেন

Smartphone RAM : স্মার্টফোনে কত র‍্যাম হলেই আপনার জন্য যথেষ্ট? 8 নাকি 12GB? অনেকেই জানেন না, অকারণে বেশি টাকা খরচ করে ফোন কেনেন

Smartphone RAM : অনেকেই জানেন না, তাঁর জন্য ঠিক কতটা র‍্যাম প্রয়োজন। ফলে অনেক বেশি টাকা খরচ করে স্মার্টফোন কেনেন। আর তাতে এত বেশি র‍্যাম কোনও কাজে লাগে না।

সোশ্যাল মিডিয়া, অনলাইন গেমিং, ভিডিও স্ট্রিমিং, ছবি-ভিডিও এডিটিং এবং মাল্টিটাস্কিংয়ের মতো নানা কাজের জন্য স্মার্টফোন ব্যবহার করা হয়। তাই নতুন ফোন কেনার সময় অনেকের মনেই প্রশ্ন আসে—এই সব কাজের জন্য ফোনে কতটা RAM থাকা দরকার? অনেকেই মনে করেন, বেশি RAM মানেই ভালো পারফরম্যান্স। কিন্তু সব স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর জন্য বেশি RAM দরকার হয় না। আপনি ফোনে কী ধরনের কাজ করেন, তার উপরই নির্ভর করে কতটা RAM আপনার জন্য যথেষ্ট।

এদিকে RAM-এর দাম বাড়ার কারণে আগামী দিনে স্মার্টফোনের দামও বাড়তে পারে। তাই অপ্রয়োজনীয়ভাবে বেশি RAM-এর ফোন কিনলে খরচও বেড়ে যেতে পারে। তাহলে ফোনে ৪GB, ৮GB নাকি ১২GB RAM—কোনটি আপনার জন্য উপযুক্ত?

সাধারণ ব্যবহারের জন্য ৩GB-৪GB RAM যথেষ্ট। Motorola-র একটি ব্লগ পোস্ট অনুযায়ী, আপনি যদি ফোনে মূলত কল করা, মেসেজ পাঠানো, ইন্টারনেট ব্রাউজিং এবং সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের মতো সাধারণ কাজ করেন, তাহলে ৩GB থেকে ৪GB RAM আপনার জন্য যথেষ্ট। বর্তমানে অনেক বাজেট স্মার্টফোনেই ৩GB বা ৪GB RAM পাওয়া যায় এবং সাধারণ দৈনন্দিন কাজের জন্য এগুলি ভালো পারফরম্যান্স দিতে পারে।

৬GB-৮GB RAM সবচেয়ে ব্যালান্সড অপশন। বর্তমান সময়ে বেশিরভাগ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর জন্য ৬GB থেকে ৮GB RAM ভালো অপশন। এই ধরনের ফোনে একসঙ্গে একাধিক অ্যাপ চালানো, হালকা মোবাইল গেম খেলা এবং সাধারণ ছবি এডিটিং করা যায়। বিশেষ করে মিড-রেঞ্জ স্মার্টফোনে এখন ৮GB RAM বেশ সাধারণ হয়ে উঠেছে। আগামী কয়েক বছর ভালো পারফরম্যান্স পাওয়ার জন্যও এই পরিমাণ RAM যথেষ্ট হতে পারে। পাশাপাশি তুলনামূলক শক্তিশালী অ্যাপ ব্যবহার করলেও ফোন দ্রুত কাজ করার সম্ভাবনা বেশি থাকে।

১২GB RAM কার জন্য দরকার? ১২GB RAM মূলত তাঁদের জন্য বেশি উপযোগী, যারা ফোনে ভারী কাজ করেন। যেমন— হাই-এন্ড মোবাইল গেমিং, 4K ভিডিও এডিটিং, কনটেন্ট ক্রিয়েশন, একসঙ্গে অনেক অ্যাপ ব্যবহার, একাধিক Chrome ট্যাবের মধ্যে বারবার সুইচ করা। তবে আপনি যদি ফোনে খুব বেশি কাজ না করেন, তাহলে ১২GB RAM আপনার জন্য প্রয়োজনের তুলনায় বেশি হতে পারে। আপনি যদি কনটেন্ট ক্রিয়েটর হন এবং ফোন থেকেই ভিডিও শুটিং, এডিটিং বা অন্যান্য ভারী কাজ করেন, তাহলে ১২GB RAM-এর স্মার্টফোন নেওয়া বেশি উপযোগী হতে পারে।

(Feed Source: news18.com)