
Weekend Tour: জন্মাষ্টমীতে লোকনাথ বাবার কচুয়া ধামে আসার পরিকল্পনা করছেন? পুজো দেওয়ার পাশাপাশি একদিনের সফরেই ঘুরে নিন ইউরোপীয় ধাঁচের রাজবাড়ি ধান্যকুড়িয়া, বেণীমাধবের বাড়ি ও দ্বাদশ কালী মন্দির। আপনাদের জন্য রইল পূর্ণাঙ্গ গাইড।
বসিরহাট, উত্তর ২৪ পরগণা, জুলফিকার মোল্যা: জন্মাষ্টমীতে কচুয়া লোকনাথ ধামে লক্ষ লক্ষ ভক্তের ঢল, তীর্থের পাশাপাশি ঘুরে দেখুন আশপাশের দর্শনীয় স্থান। জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আগামী ২, ৩ ও ৪ সেপ্টেম্বর কচুয়া লোকনাথ ধামে লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাগম হতে চলেছে। বাবা লোকনাথের জন্মভিটে কচুয়া ধামকে ঘিরে এই সময়ে উৎসবের আবহ তৈরি হয়। দূরদূরান্ত থেকে পুণ্যার্থীরা এখানে এসে পুজো ও দর্শন করেন। তবে কচুয়া ধাম শুধু তীর্থস্থান হিসেবেই নয়, আশপাশের একাধিক ঐতিহাসিক ও মনোরম পর্যটনস্থানের জন্যও ভ্রমণপিপাসুদের কাছে আকর্ষণীয়।
কচুয়া ধাম থেকে অদূরেই রয়েছে ব্রিটিশ আমলের জনপদ ধান্যকুড়িয়া। একসময় পাটের ব্যবসাকে কেন্দ্র করে সমৃদ্ধ হয়ে ওঠা এই অঞ্চলে গাইন শাহ ও বল্লভ জমিদার পরিবারের বাসভূমি ছিল। সেই সময়ের প্রাসাদসম ব্রিটিশ ধাঁচের বাড়ি, বাগানবাড়ি এবং নানা ঐতিহাসিক স্থাপত্য আজও ধান্যকুড়িয়ার অন্যতম আকর্ষণ। শুধু ধান্যকুড়িয়াই নয়, কচুয়া ও তার আশপাশে রয়েছে আরও বেশ কিছু দর্শনীয় স্থান।
বাবা লোকনাথের বাল্যবন্ধু বেণীমাধব বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মভিটে রয়েছে এই এলাকাতেই। লোকনাথ বাবার জীবনের সঙ্গে জড়িত এই স্থানটি ভক্তদের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ফলে কচুয়া ধামে পুজো ও দর্শনের পাশাপাশি ইতিহাস ও আধ্যাত্মিকতার এই নিদর্শনটিও ঘুরে দেখতে পারেন পর্যটকরা। এর পাশাপাশি রয়েছে শান্তিধাম উদ্যান পার্ক। পরিবার-পরিজন নিয়ে কিছুটা সময় কাটানোর জন্য এই উদ্যানও হতে পারে ভাল গন্তব্য। কচুয়া থেকে কিছুটা দূরে গেলেই দেখা মিলবে প্রাচীন দ্বাদশ কালী মন্দিরের।
পুরনো এই মন্দিরকে ঘিরেও রয়েছে এলাকার ধর্মীয় বিশ্বাস ও আবেগ। জন্মাষ্টমীতে কচুয়া লোকনাথ ধামে যখন ভক্তদের ঢল নামবে, তখন শুধু পুজো দিয়ে ফিরে না এসে হাতে কিছুটা অতিরিক্ত সময় রাখুন। কচুয়া ধামকে কেন্দ্র করে ধান্যকুড়িয়ার জমিদারবাড়ি, বেণীমাধব বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মভিটে, শান্তিধাম উদ্যান এবং প্রাচীন দ্বাদশ কালী মন্দির, সবমিলিয়ে একদিনের সফরেই মিলতে পারে তীর্থ, ইতিহাস ও পর্যটনের এক অনন্য অভিজ্ঞতা।
(Feed Source: news18.com)
