
রাসুয়াগাধির এই উদ্ধার অভিযানে নেপালি সেনাবাহিনী, ইঞ্জিনিয়াররা এবং একটি ড্রোন টিম অংশ নেয়। ভোতেকোশি নদীতে জল বেড়ে যাওয়ায় শ্রমিকরা সুড়ঙ্গের অপর প্রান্তে আটকা পড়ে থাকতে পারেন-এমন আশঙ্কা করে উদ্ধারকারীরা সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রবেশ করেন। দলটি শেষ প্রান্তে পৌঁছাতে সক্ষম হয় এবং ড্রোন ব্যবহার করে ভিতরের অংশে তল্লাশি চালায়-যার মধ্যে এমন সব এলাকাও ছিল যেখানে সরাসরি গিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা কঠিন বা বিপজ্জনক হতো। তবে ভিতরে কেউ থাকার কোনও ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সোমবার জানিয়েছে যে, ১১১ মেগাওয়াট ক্ষমতার রাসুয়াগাধি প্রকল্পের সুড়ঙ্গে তল্লাশি চালানোর পর সেনাবাহিনী-নেতৃত্বাধীন দলটি ফিরে এসেছে।
ড্রোন-চালিয়েও সুড়ঙ্গের ভিতর কাউকে খুঁজে না পাওয়ার পর তল্লাশি অভিযান স্থগিত করা হয়। উদ্ধারকারীরা রাসুয়া জেলার ধুনচে-তে ফিরে আসেন। বন্যার তোড়ে যখন নেপাল বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে এবং শত শত মানুষের মৃত্যু হচ্ছে, তখন বেশ কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের শত শত শ্রমিক মাটির নীচে আটকা পড়েন। বিভিন্ন জায়গায় উদ্ধারকর্মীরা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছেন যে, নিখোঁজ ব্যক্তিরা কি সুড়ঙ্গের ভিতরে আটকা পড়েছেন, নাকি উঁচু কোনও স্থানে সরে যেতে পেরেছেন, কিংবা বন্যার স্রোতে ভেসে গেছেন।
নেপালের ন্যাশনাল ডিজাস্টার রিস্ক রিডাকশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অথরিটি (এনডিআরআরএমএ) সোমবার জানিয়েছে যে, জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত ৯৩৩ জন ব্যক্তি নিখোঁজ রয়েছেন। Nepal News
উদ্ধারকারীরা এ পর্যন্ত ২৭৯ জনকে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে বের করে এনেছেন। এর মধ্যে ‘আপার ত্রিশূলী-১’ প্রকল্প থেকে ২৫৪ জন এবং ‘লাংটাং খোলা’ প্রকল্প এলাকা থেকে আরও ১৮ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। Nepal Flash Floods News
(Feed Source: abplive.com)
