
SCO সম্মেলনের যে ছবি পোস্ট করে পাক প্রধানমন্ত্রী শেহবাজের দফতর, তাতে মোদিকে কোথাও দেখা যায়নি। ইচ্ছাকৃত ভাবেই যে তাঁকে কেটে বাদ দেওয়া হয়, তা বুঝতে সমস্য়া হয়নি। কিন্তু ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি SCO থেকে যে ছবি পোস্ট করেন, তা ছিল সবদিক থেকেই সম্পূর্ণ। কাউকে কেটে বাদ দেওয়া হয়নি। আর সেই নিয়েই এই মুহূর্তে সরগরম আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক মহল। মোদি যেখানে দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছেন, সেখানে পাকিস্তান সঙ্কীর্ণ মানসিকতার পরিচয় দিয়েছে বলে সরগরম নেটদুনিয়াও। (Narendra Modi-Shehbaz Sharif)
Prime Minister Muhammad Shehbaz Sharif in a group photo with heads of States at the SCO Council of Heads of State Summit in Bishkek, Kyrgyzstan on 1 September 2026. pic.twitter.com/3lsruWHaYV
— Prime Minister’s Office (@PakPMO) September 1, 2026
কিরগিস্তানের বিশকেকে আয়োজিত SCO সম্মেলনে যোগ দিতে পৌঁছেছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রনেতা। ভারত এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীও পৌঁছেছেন সেখানে। সকলে মিলে যে ছবি তোলেন, তাতে মোদি এবং শেহবাজ পাশাপাশি না থাকলেও, এক ফ্রেমেই ছিলেন। কিন্তু ছবিটি পোস্ট করার সময় মোদিকে ছেঁটে বাদ দেয় পাকিস্তান। আরও বেশ কয়েক জন রাষ্ট্রনেতাও বাদ পড়েন ওই ছবি থেকে। ছবিতে এমন ভাবে কাঁচি চালানো হয়, যাতে শেহবাজকে মধ্যমণি মনে হয়। তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হিসেবে তুলে ধরতেই এমন পদক্ষেপ করা হয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এর পর পরই ১০ রাষ্ট্রনেতা সম্বলিত সম্পূর্ণ ছবিটি পোস্ট করেন মোদি। সমালোচনার মুখে পড়ে, পরে সকলকে নিয়ে তোলা একটি ছবি পোস্ট করে পাকিস্তান।
PM @narendramodi along with SCO leaders in Bishkek. pic.twitter.com/0VAUpFWpsz
— PMO India (@PMOIndia) September 1, 2026
শুধু ছবিতে কারিকুরি করাই নয়, SCO সম্মেলনে শেহবাজের অস্বাভাবিক আচরণ নজর কেড়েছে অনেকেরই। একটি ভিডিও-তে দেখা গিয়েছে, ছবি তোলার পর রাষ্ট্রনেতারা যখন মঞ্চ থকে নেমে যাচ্ছেন, হঠাৎই হাঁটার গতি বাড়িয়ে দেন শেহবাজ। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কনুই ধরে টানেন। কার্যত জোর করেই তাঁর কথাবার্তা শুরু করেন। কথা বলার সময়ও পুতিনের কনুই ধরে রেখেছিলেন শেহবাজ। অন্য দিকে, পুতিন এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে হাসিমুখেই বার্তালাপ করতে দেখা যায় মোদিকে। ২০২০ সালের SCO সম্মেলন থেকেও মোদি, পুতিন এবং জিনপিংয়ের সহাস্য ছবি সামনে এসেছিল।
এবারের SCO সম্মেলনে পুতিনের সঙ্গে মুখোমুখি বৈঠক করেন মোদি। সরাসরি পাকিস্তানের নাম না করলেও, কিছু দেশ সন্ত্রাসে মদত জুগিয়ে চলেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দেওয়ার কথা বলেন।
