
ক্রিকেট দলের হোটেল নিয়ে তুলকালাম, এশিয়ান গেমসের হোটেল পছন্দ না হওয়ায় প্রথমে দ্বিতীয় সারির দল পাঠানোর কথাও ভেবেছিল – কিন্তু এখন আইওএ বলে দিয়েছে প্লেয়ারদের পছন্দের হোটেলে রাখতে গেলে বোর্ডকেই বুঝে নিতে হবে৷
নয়াদিল্লি: ‘দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া’-র একটি প্রতিবেদন অনুসারে, ইন্ডিয়ান অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে যে, এশিয়ান গেমস উপলক্ষে আইচি-নাগোয়ায় অন্যান্য ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের থেকে আলাদাভাবে নিজেদের ক্রিকেটারদের জন্য বিশেষ আবাসনের ব্যবস্থা করতে চাইলে বিসিসিআই-কেই খেলোয়াড়দের যাবতীয় দায়িত্ব নিতে হবে৷ এর মধ্যে রয়েছে যেমন খাবারের জোগাড় করা তেমনিই রয়েছে সঠিক সময়ে ভেন্যুতে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে হবে পাশাপাশি এই পুরো ফেসিলিটিগুলির বহন করতে হবে।
এদিকে, আইওএ (IOA) ক্রিকেটের জন্য আলাদা হোটেল ব্যবস্থার খোঁজ করবে না; বরং একটি সন্তোষজনক সমাধানের পথ বের করার বিষয়টি বিসিসিআই (BCCI) ও আয়োজক কমিটির ওপরই ছেড়ে দেবে। আইওএ (IOA)-র সিইও রঘুরাম আইয়ার ‘দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া’-কে বলেছেন যে, আয়োজকদের প্রস্তাবিত হোটেলগুলি যদি বিসিসিআই (BCCI)-এর চাহিদা পূরণ করতে না পারে, তবে তারা নিজেদের মতো করে থাকার ব্যবস্থা করে নিতে স্বাধীন।
তবে সিদ্ধান্ত এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব বিসিসিআই-র ওপরই থাকবে। আইয়ার বলেন, “বিসিসিআই-র সিইও হেমাং আমিন আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন এবং আমাদের মধ্যে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। জাপানের সুযোগ-সুবিধাগুলি খতিয়ে দেখার জন্য তারা সেখানে একটি অ্যাডভান্স টিম পাঠানোর কথা বিবেচনা করছে।”
“আইওএ (IOA)-র এ বিষয়ে কোনও আপত্তি নেই। তাদের নিজস্ব মূল্যায়নের ভিত্তিতে তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারবে যে, তারা আয়োজকদের দেওয়া সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করবে নাকি নিজেদের মতো করে ব্যবস্থা করবে,” আইয়ার আরও বলেন। আপাতত, গেমস আয়োজকরা ভারতের উভয় দলের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা নির্ধারণ করেছেন। প্রতিবেদন অনুসারে, পুরুষ দলটি থ্রি স্টার মানের ‘এপিএ হোটেল নাগোয়া একিমায়ে’-তে (APA Hotel Nagoya Ekimae) থাকবে এবং মহিলা দলকে ফোর স্টার মানের ‘মেইতেৎসু গ্র্যান্ড হোটেল’-এ (Meitetsu Grand Hotel) থাকার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে।
উভয় আবাসনস্থলেই প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা রয়েছে, তবে ভারতীয় ক্রিকেটাররা সাধারণত যে ধরনের পাঁচ-তারকা মানের আবাসনে অভ্যস্ত, তার তুলনায় এগুলোর মান এক ধাপ নিচে। এছাড়া এখানে ‘টুইন-শেয়ারিং’ বা দুজনে মিলে একটি কক্ষ ভাগ করে থাকার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে, যা অসন্তোষের আরেকটি বড় কারণ।
হারমানপ্রীত কৌরের নেতৃত্বাধীন নারী দলকে প্রথমেই লজিস্টিক বা ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে। দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ শেষে তারা ১৩ সেপ্টেম্বর, রবিবার দেশে ফিরবে এবং পরদিন নাগোয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হবে। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে তাদের অভিযান শুরু হবে। প্রতিবেদন অনুসারে, বিসিসিআই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে হোটেল, ক্রিকেট ভেন্যু এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পরিদর্শন করতে আগামী সপ্তাহের শুরুতে একটি অগ্রবর্তী দল জাপানে যাবে।
(Feed Source: news18.com)
