
Delhi Building Collapse, Exclusive: দিল্লির সত্য নিকেতনে পিজি ভবন ধসে পাঁচজনের মৃত্যুর পর তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ সূত্রের দাবি, ভবনটি অনুমোদনহীনভাবে পিজি ও হস্টেল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল এবং দুর্ঘটনার সময় সেখানে নির্মাণকাজ চলছিল।
নয়াদিল্লি: দিল্লির পিজি বিল্ডিং ধস এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৫ পড়ুয়ার৷ ধ্বংসস্তূপের এখনও আটকে রয়েছেন আরও অনেক পড়ুয়া৷ কিন্তু কেন ভেঙে পড়ল পিজি বিল্ডিং? এই ঘটনায় বারবার ঘুরেফিরে আসছে সেই প্রশ্ন৷
এই ঘটনার পর ভবনটির প্রয়োজনীয় পুরসভার অনুমোদন এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত সার্টিফিকেট ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে CNN News18-কে জানিয়েছে পুলিশ সূত্র। তদন্তে উঠে এসেছে, ধসে পড়া ভবনটিতে অভিযোগ অনুযায়ী বেআইনিভাবে পিজি ও হস্টেল চালানো হচ্ছিল। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাউথ ক্যাম্পাস এবং আশপাশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পড়ুয়াদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল সেখানে। দুর্ঘটনার সময় ওই অননুমোদিত পিজি ভবনে নির্মাণকাজও চলছিল বলে জানা গিয়েছে।
দিল্লি পুলিশ এবং দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের (MCD) আধিকারিকরা খতিয়ে দেখছেন, ওই ভবনটিকে পিজি বা হস্টেল হিসেবে বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য আইনগত অনুমতি দেওয়া হয়েছিল কি না।
সূত্রের দাবি, এই ধরনের আবাসন অনেক সময় বাণিজ্যিক ব্যবহারের অনুমতি ছাড়াই পরিচালিত হয়। ফলে পর্যাপ্ত বেরোনোর পথ-সহ বাধ্যতামূলক অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থাও সেখানে নাও থাকতে পারে। প্রাথমিক তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, বিপুল সংখ্যক আবাসিককে রাখার জন্য ভবনটির ভিতরে ব্যাপক পরিবর্তন ও নির্মাণকাজ করা হয়েছিল।
সম্পত্তির মালিক আনন্দ বনসল ওই ভবনে অত্যধিক সংখ্যক মানুষকে রাখার মতো আবাসন ব্যবস্থা পরিচালনা করছিলেন কি না, নাকি ভবনটি শুধুমাত্র আবাসিক ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত ছিল—তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্র আরও জানিয়েছে, তদন্তে আনন্দ বনসল সহযোগিতা করছেন না এবং বর্তমানে তাঁর ফোনও বন্ধ রয়েছে। ওই ভবনটি নিয়ে অতীতে পুরসভার তরফে কোনও নোটিশ দেওয়া হয়েছিল কি না, অথবা কাঠামোগত সমস্যা কিংবা অতিরিক্ত ভিড় নিয়ে প্রতিবেশীদের পক্ষ থেকে কোনও অভিযোগ করা হয়েছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখছে কর্তৃপক্ষ।
পড়ুয়াদের আবাসনের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন
পিজি ভবন ধসের পর জরুরি পরিষেবার বিভিন্ন দল উদ্ধারকাজে নামে। এই দুর্ঘটনা দিল্লিতে পড়ুয়াদের থাকার জন্য ব্যবহৃত পিজি ও ভাড়াবাড়িগুলির নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে। বিশেষ করে বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির আশপাশের এলাকায় যেখানে বিপুল সংখ্যক পড়ুয়া পিজি ও ভাড়াবাড়িতে থাকেন, সেখানে নিরাপত্তা বিধি কতটা মানা হচ্ছে, তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ভবনটি ঠিক কী কারণে ধসে পড়ল এবং কোনও নিয়মবহির্ভূত কাজ বা বিধি লঙ্ঘন এই দুর্ঘটনার জন্য দায়ী ছিল কি না, তা জানতে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।
(Feed Source: news18.com)
