
অভিনয় অনেক আগেই ছেড়ে দিয়েছেন ট্যুইঙ্কল। বর্তমানে সঞ্চালনা এবং ব্যঙ্গধর্মী লেখালেখির জন্য বেশ পরিচিতি তৈরি হয়েছে তাঁর। মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন হোটেল-রেস্তরাঁয় এই মুহূর্তে যেভাবে খাবারের গুণমান যাচাই এবং দেদার তালা ঝোলানোর ঘটনা সামনে এসেছে, তা নিয়ে একটি প্রতিবেদন লিখেছেন তিনি। (Bollywood News)
ব্যঙ্গধর্মী ওই প্রতিবেদনে মহারাষ্ট্র খাদ্য সুরক্ষা বিভাগের কমিশনার তুকারাম মুন্ডের কথা উল্লেখ করে ট্যুইঙ্কল লেখেন, ‘নাম তুকারাম, তালা ঝোলানোর লাইসেন্স আছে। আগে যখন ‘মেলা’য় অভিনয়ের পরিবর্তে মেলায় বেড়াতে যেতাম, উজ্জ্বল গোলাপি হাওয়াই মিঠাই পাওয়া যত। এখন চুলে রং না করলে ওই রং দেখা যায় আমার মাথায়। এতদিনে নাম সার্থক হয়েছে। গোলাপি রং বিলুপ্তির জন্য দায়ী তুকারাম মুন্ডে। ওঁর পা পড়তেই শত শত রেস্তরাঁ ধসে পড়ছে। মুন্ড যেখানে যান, সেখানে মুণ্ড কাটা পড়ে’।
নিজেক রান্নাঘরের প্রসঙ্গও পাড়েন ট্যুইঙ্কল। লেখেন, ‘আমাদের ইতিহাস বই থেকে যাঁরা মুঘল শাসনকাল মুছে দিতে চান, মধ্যাহ্নভোজ দিয়ে কাজ শুরু করা উচিত তাঁদের। কোফতা, কোর্মা, কাবাব খাওয়া বন্ধ করে দিন। মোগলাি পনির, সে আসল হোক বা অ্যানালগ, তাও খাওয়া যাবে না’।
ট্যুইঙ্কলের দাবি, তন্দুরি ব্রকোলি, চিকেন টিক্কা এবং পনির টিক্কা অর্ডার করার সময় তুকারাম ঘুরে দেখে গিয়েছেন কি না খোঁজ নেন তিনি। তুকারাম ঘুরে গিয়েছেন জানলে তবেই খাবার অর্ডার করেন।
ট্যুইঙ্কলের ব্যঙ্গাত্মক লেখাটি পছন্দ হয়নি অনেকেরই। বিশেষ করে যেভাবে তিনি মুঘল ইতিহাস এবং খাবারের উল্লেখ করেছেন। সেই নিয়ে তাঁকে কটাশ্র করেছেন নেটিজেনদের একাংশ। তাঁদের দাবি, মুঘলদের দৌলতে ওই সব খাবার ভারতে আসেনি। তারও ঢের আগে থেকে ভারতে ওই সব খাবার খাওয়ার চল ছিল। মুঘলদের খাবার যদি খাওয়াও হয়, তাদের অত্যাচারের কথা কেন ভুলে যেতে হবে, এই প্রশ্নও তোলেন অনেকে। কেউ কেউ আবার যুক্তি দেন যে, ইতালির পিৎজা দেখে জিভে জল আসে অনেকেরই। তাই বলে পাঠ্যবইয়ে ইতালির শাসকদের কথা রাখার প্রয়োজন নেই।
(Feed Source: abplive.com)
