
রামশঙ্কর মিশ্র একবার চুরি করে দানের টাকা নিজের কাছে রেখে দেওয়ার সময় ধরা পড়েন, অন্যদিকে লাভকুশ মিশ্র একবার চুরি করার সময় এবং অন্য সহ-অভিযুক্তদের ৫২ বার সাহায্য করার সময় ধরা পড়েন। এদিকে, অনুকল্প মিশ্র দানের টাকা সরিয়ে ফেলার কাজে অন্য সহ-অভিযুক্তদের সাহায্য করার সময় সিসিটিভিতে ৫৬ বার ধরা পড়েন।
সিডিআর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগ প্রকাশ পেয়েছে
সিডিআর-এর বিশ্লেষণে প্রাসঙ্গিক সময়কালে অভিযুক্তদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগের বিষয়টি প্রকাশ পায়। অভিযোগপত্রে সিসিটিভি, ডিজিটাল, মৌখিক এবং পারিপার্শ্বিক প্রমাণের ভিত্তিতে পারস্পরিক সমন্বয় এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের প্রমাণ পাওয়া গেছে।
পুলিশের অভিযোগ, অভিযুক্ত ব্যক্তি গণনা কক্ষ থেকে ইচ্ছাকৃত ও পূর্বপরিকল্পিতভাবে অর্থ চুরি এবং অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ করেছেন। তবে, এগুলো রাষ্ট্রপক্ষের আনা অভিযোগ এবং আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
২৫ থেকে ৩০ জুলাইয়ের ফুটেজেও চুরির উল্লেখ রয়েছে।
অভিযোগপত্রে ২০২৬ সালের ২৫ থেকে ৩০ জুলাইয়ের সিসিটিভি ফুটেজেরও উল্লেখ করা হয়েছে। ফুটেজে দেখা যায়, গণনা কক্ষে অনুদান গণনার সময় সুভাষ শ্রীবাস্তবের উপস্থিতিতে অবিনাশ শুক্লা ওরফে শনি টাকা সরিয়ে নিজের কাছে রাখছে। পুলিশ মোবাইল ডেটার বিশ্লেষণকেও গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে উল্লেখ করেছে, যার মধ্যে মোবাইল চ্যাটে নগদ টাকার বান্ডিলের উল্লেখও রয়েছে।
(Feed Source: amarujala.com)




