Apple Pay Launched in India: ভারতে Axis Bank-এর সঙ্গে অংশীদারিত্বে Apple Pay চালু করল Apple। iPhone, iPad ও Apple Watch দিয়ে কনট্যাক্টলেস পেমেন্টের পাশাপাশি কী কী সুবিধা মিলবে, জেনে নিন
Apple ভারতে তাদের পেমেন্ট পরিষেবা Apple Pay চালু করেছে। এখন iPhone, iPad এবং Apple Watch ব্যবহারকারীরা এই ডিভাইসগুলির মাধ্যমে কনট্যাক্টলেস পেমেন্ট করতে পারবেন। সংস্থাটি ভারতে Axis Bank-এর সঙ্গে অংশীদারিত্বে এই পরিষেবা শুরু করেছে। Apple Pay চালু হওয়ায় পেমেন্ট করার জন্য বারবার ফিজিক্যাল কার্ড বের করার প্রয়োজন কমবে। ভারতে ডিজিটাল এবং কনট্যাক্টলেস পেমেন্টের ব্যবহার দ্রুত বাড়ার সময়েই এই পরিষেবা চালু হল।
ভারতে Apple Pay-এর পরিষেবা আপাতত Axis Bank-এর Visa এবং Mastercard ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে। Moneycontrol-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, ভবিষ্যতে অন্য ব্যাঙ্কের কার্ডও এই পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। অ্যাপলের মতে, ভারতে দ্রুত বাড়তে থাকা ডিজিটাল ও ক্যাশলেস লেনদেনের কথা মাথায় রেখে এই পরিষেবা ব্যবহারকারীদের সহজ, নিরাপদ এবং প্রাইভেসি-কেন্দ্রিক পেমেন্টের সুবিধা দেবে। Apple Pay ব্যবহারে ৫টি বড় সুবিধা পাওয়া যাবে।
PIN এবং OTP-এর ঝামেলা কমবে: Apple Pay-এর মাধ্যমে দোকানে পেমেন্ট করা আরও সহজ হতে পারে। কার্ড বের করা, PIN দেওয়া কিংবা OTP-এর জন্য অপেক্ষা করার প্রয়োজন হবে না। iPhone-এর সাইড বাটনে দু’বার চাপ দিয়ে Face ID, Touch ID অথবা পাসকোডের মাধ্যমে পেমেন্ট অনুমোদন করা যাবে। ফলে ছোট-বড় কেনাকাটায় সময় বাঁচতে পারে। বিশেষ করে ভিড়ের জায়গায় এই পদ্ধতি সুবিধাজনক হতে পারে। কারণ লেনদেনের সময় বারবার কার্ড বা মোবাইল নম্বরের মতো তথ্য দেওয়ার প্রয়োজন কমে যাবে।
কার্ডের তথ্য থাকবে সুরক্ষিত: Apple Pay-এর মাধ্যমে লেনদেন করার সময় আপনার আসল কার্ড নম্বর দোকানদারের সঙ্গে শেয়ার করা হয় না। ফোনেও সাধারণ পদ্ধতিতে কার্ডের সম্পূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে না। এর পরিবর্তে একটি আলাদা ডিজিটাল নম্বর এবং নিরাপত্তা প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। পেমেন্ট সম্পূর্ণ করার জন্য Face ID, Touch ID অথবা পাসকোডের প্রয়োজন হয়। ফলে অন্য কারও হাতে ফোন চলে গেলেও কার্ডের তথ্য ফাঁস হওয়া বা অপব্যবহারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।
কার্ডের রিওয়ার্ড ও অফার মিলতে থাকবে: Apple Pay ব্যবহার করার অর্থ এই নয় যে আপনার বর্তমান ক্রেডিট কার্ডের সুবিধাগুলি বন্ধ হয়ে যাবে। আপনার কার্ডে রিওয়ার্ড পয়েন্ট, ক্যাশব্যাক বা অন্য কোনও সুবিধা থাকলে, যোগ্য কার্ডের ক্ষেত্রে সেগুলি আগের মতোই পাওয়া যেতে পারে। অর্থাৎ পেমেন্টের পদ্ধতি বদলালেও কার্ডের সুবিধাগুলি বজায় থাকতে পারে। এর পাশাপাশি Apple Pay ব্যবহারের জন্য অ্যাপল আলাদা কোনও ফি নেয় না। তবে কার্ড-সংক্রান্ত সাধারণ চার্জ বা নিয়মের ক্ষেত্রে ব্যাঙ্কের শর্ত প্রযোজ্য থাকবে।
অনলাইন শপিংও হবে সহজ: Apple Pay-এর সুবিধা শুধু দোকানে পেমেন্টের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। যেখানে এই পরিষেবা উপলব্ধ, সেখানে iPhone এবং iPad-এর অ্যাপ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কেনাকাটার সময়ও এটি ব্যবহার করা যাবে। ফলে প্রতিবার কার্ড নম্বর, বিলিং অ্যাড্রেস বা অন্যান্য পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নতুন করে দেওয়ার প্রয়োজন কমবে। এর ফলে অনলাইন পেমেন্ট আরও দ্রুত হতে পারে। খাবার অর্ডার করা, টিকিট বুক করা বা অনলাইনে কেনাকাটার মতো দৈনন্দিন কাজেও এই সুবিধা কাজে আসতে পারে।
iPhone এবং Apple Watch দিয়েই পেমেন্ট: Apple Pay-এর অন্যতম সুবিধা হল লেনদেনের জন্য বারবার ফিজিক্যাল কার্ড সঙ্গে রাখার প্রয়োজন কমে যায়। আপনার কাছে সমর্থিত iPhone বা Apple Watch থাকলে কনট্যাক্টলেস পেমেন্ট মেশিনে সরাসরি পেমেন্ট করা সম্ভব হবে। অর্থাৎ ওয়ালেট থেকে কার্ড খোঁজা বা কার্ড মেশিনে ঢোকানোর প্রয়োজন থাকবে না। Apple Watch-এর মাধ্যমেও পেমেন্ট করা যাবে। ফলে কেনাকাটার সময় বারবার ফোন বের করার প্রয়োজনও কমতে পারে।
(Feed Source: news18.com)
