
প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, রাজবীরের সঙ্গে অন্য কয়েকজন প্রতিযোগীর কথাবার্তা এবং আচরণ নিয়ে অস্বস্তি তৈরি হয়। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে একে অপরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করতেও দেখা যায়। রাজবীরকে উদ্দেশ করে ‘সেলফিশ’ মন্তব্যও শোনা যায়। ফলে এতদিনের জোটে যে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে, তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
কেন ভাঙল রাজবীর-জীতুদের টিম?
বিগ বসের বাড়িতে একসঙ্গে থাকা প্রতিযোগীদের মধ্যে মতের অমিল নতুন নয়। তবে এবার বিষয়টি শুধুমাত্র ছোটখাটো মতবিরোধে আটকে থাকেনি। রাজবীরের কিছু সিদ্ধান্ত এবং আচরণকে কেন্দ্র করেই মূলত পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয় বলে প্রতিবেদনে ইঙ্গিত রয়েছে।
এতদিন রাজবীর দে, জীতু কমল, নন্দিনী দত্ত এবং মনামী ঘোষকে একই গোষ্ঠীর অংশ হিসেবে দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে সেই সমীকরণে পরিবর্তন এসেছে। ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের পাশাপাশি গেম নিয়ে কৌশলগত মতপার্থক্যও এই দূরত্বের অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে বলে বোঝা যাচ্ছে।
মুখোমুখি রাজবীর ও সতীর্থরা
বিগ বসের ঘরে কোনও একটি সিদ্ধান্তকে ঘিরে শুরু হওয়া আলোচনা দ্রুত তর্কের দিকে গড়ায়। রাজবীরের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং তাঁর সঙ্গে অন্যদের বাকবিতণ্ডা হয়। সেখানেই উঠে আসে ‘তুমি সেলফিশ’ মন্তব্যটি।
ফলে দর্শকদের সামনে নতুন প্রশ্ন—এটি কি সাময়িক মনোমালিন্য, নাকি সত্যিই রাজবীরের সঙ্গে জীতু-নন্দিনীদের জোট ভেঙে গেল?
বদলে যাচ্ছে বিগ বস বাংলার সমীকরণ
রিয়্যালিটি শোয়ের গেম যত এগোচ্ছে, প্রতিযোগীদের মধ্যকার সম্পর্কও তত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। একদিকে যেমন নতুন বন্ধুত্ব তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে পুরনো জোটে দেখা দিচ্ছে ভাঙন। রাজবীরকে ঘিরে সাম্প্রতিক এই ঘটনা সেই বদলে যাওয়া সমীকরণেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এখন দেখার, পরবর্তী পর্বগুলিতে রাজবীর ও জীতু কমল-নন্দিনী দত্তদের সম্পর্ক কোন দিকে যায়। আপাতত তাঁদের মধ্যে যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে, সেটিই ‘বিগ বস বাংলা’-র ঘরের অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।
(Feed Source: abplive.com)
