)
Flydubai Dubai-Tel Aviv flight: ওই হামলার কারণ এবং অন্য কারও সাথে যোগসূত্র রয়েছে কিনা তা নিয়ে তদন্ত চলছে
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ফ্লাইদুবাই এর বিমানে ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছরের উপরে হামলা চালিয়ে বিমানটিকে ক্রাশ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টাকে জঙ্গি হামলাই বলল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি। দুবাই থেকে তেলআভিভ গামী ওই বিমানের কো পাইলট হামাম আল হামামি একটি ক্রাশ অ্যাক্স নিয়ে হামলা চালিয়েছিলেন স্মিত মচ্ছরকে। তার পরে তিনি বিমানের কন্ট্রোল নিয়ে নেন। এরই মধ্যে বিমানটি প্রায় ১৪ হাজার ফিট নিয়ে নেমে আসে।
আমিরশাহির সরকারি মিডিয়া ‘ওয়াম’ এর মতে দেশের অ্যাটর্নি জেনারেল হামাদ সাইফ আল শামসির দাবি, বিমানটি মাঝ আকাশে থাকা অবস্থায় কো-পাইলট ওই হামলা চালিয়েছিলেন। তাঁর ওই হামলার কারণ এবং অন্য কারও সাথে যোগসূত্র রয়েছে কিনা তা নিয়ে তদন্ত চলছে।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর ওই ঘটনা ঘটে।
দুবাই-তেলআভিভ গামী ফ্লাইদুবাইয়ের ওই বিমানটি ইজরায়েলের বেন গুরিওন বিমানবন্দরে নামার আগেই ৭৭০০ সংকট পাঠায়। একে হাইজ্যাকিং সিকিউরিটি অ্য়ালার্ট হিসেবে মনে করা হয়। বিমানটিতে ছিলেন ১৮০ জন ইজরায়েলি যাত্রী। উত্তর সৌদি আরবের আকাশসীমার উপর থেকেই বিমানটিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। সৌদি আরবের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় আচমকাই তার গতিপথ বদলে যায় এবং গন্তব্যের বিপরীত দিকে ফিরে আসে। শেষপর্যন্ত বিমানটি তাবুকে অবতরণ করে। বিমানের ককপিটে কো পাইলটের হামলায় রক্তাক্ত হওয়ার পরও ককপিটের দরজা খুলে দেন ভারতীয় পাইলট স্মিত মচ্ছর। তার পরই ক্রু মেম্বাররা ককপিটে ঢুকে ওই কো পাইলটকে কাবু করে ফেলেন।
ককপিটে কেন কুঠার?
আসলে যে কুঠারেরকথা বলা হচ্ছে সেটি হল ক্র্যাশ অ্যাক্স। এটি একটি বিশেষ হাতিয়ার। কিছু বিমানে জরুরি পরিস্থিতির জন্য এটি রাখা হয়। জরুরি মুহূর্তে কোথাও ঢোকার প্রয়োজন হলে ওই অ্যাক্সের সাহায্যে বিমানের ভেতরের অংশ কেটে ফেলা হয়। ওই কুঠারটিকে একটি সুরক্ষিত স্থানে রাখা হয়। বেশিরভাগ সময়ে সেটি ককপিটের ভেতরে বা কাছাকাছি থাকে।
কো পাইলটের ওই হামলার পেছনে কোনও বিশেষ উদ্দেশে রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কো-পাইলটের ইতিহাস খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে সব তথ্ইয এখনও বিবেচনাধীন।
(Feed Source: zeenews.com)
