
এই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের ডিসিপি ডেকা আরও বলেন, মঙ্গলবার পাঁচ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়। ওইদিন লোকমান্য তিলক টারমিনাসে রুটিন চেকিং চলছিল সেই সময়েই পল্টন বাজার রেলস্টেশন থেকে তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে খবর, মেঘালয়ের দাউকি থেকে গুয়াহাটিতে প্রবেশ করেন গত অক্টোবরের ৫ তারিখে। এরপরে শহরের একটি হোটেলে ছিলেন তাঁরা।
পুলিশ সূত্রে খবর, তদন্ত চলাকালীন হোটেলে থাকাকালীন সিসিটিভি ফুটেজ এবং অন্যান্য তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের পরেই তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। ইতি মধ্যেই একটি মামলা রুজু করেছে পান বাজার পুলিশ স্টেশন।
ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, গুয়াহাটির একটি হোটেলে তাঁদের থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন ওই হোটেলের মালিক। কয়েক দিন সেখানে থাকার পর অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করা বাংলাদেশি নাগরিকেরা অসমের বিভিন্ন এলাকা হয়ে দেশের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েন।
তদন্তে নেমে পুলিশ ওই হোটেলের সন্ধান পায়। এরপর হোটেলমালিক অমিতরাই দইমারি-সহ তাঁর তিন সহযোগী হজরত আলি, বিকাশ পাল এবং রঞ্জন ধরকে গ্রেফতার করা হয়।
ডিসিপি ডেকা জানিয়েছেন, দইমারির হোটেলে বাংলাদেশি নাগরিকদের থাকার ব্যবস্থা করতেন হজরত আলি। পুলিশের দাবি, এই চক্রের মূল হোতা তিনিই। তাঁকে এই কাজে সাহায্য করতেন বিকাশ পাল ও রঞ্জন ধর।
এদিকে, অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করা বাংলাদেশি নাগরিকদের খুঁজে বের করতে বুধবারও গুয়াহাটির বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। সেই অভিযানে আরও একটি হোটেল থেকে ১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ডিসিপি ডেকা জানান, ধৃত বাংলাদেশি নাগরিকদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পাশাপাশি, আগামী দিনে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত ও গ্রেফতার করতে গুয়াহাটিজুড়ে অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
(Feed Source: news18.com)
