মানুষের অস্তিত্বই থাকবে না পৃথিবীতে? চলতি শতাব্দীর শেষেই? বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে AI?

মানুষের অস্তিত্বই থাকবে না পৃথিবীতে? চলতি শতাব্দীর শেষেই? বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে AI?

 

নয়াদিল্লি: পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে যেতে পারে মানবজাতি। বেশি দেরি নেই, আর মাত্র কয়েক বছরেই আশঙ্কা সত্যি হতে পারে। আর মাত্র সাড়ে সাত দশক পরই পৃথিবীর বুক থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে মানবজাতির নাম ও নিশান। Lancet-এর রিপোর্টে এবার এমনই দাবি করা হল। (Human Extinction by 2100)

The Lancet Commission on 21st Century Global Threats to Health শীর্ষক রিপোর্টে এমনই আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে। ২১০০ সালের মধ্যে মানবজাতির বিলুপ্তির সম্ভাব্য কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে পারমাণবিক যুদ্ধ, আর্টিফিশিয়াল ইনটেলিজেন্স বা কৃত্রিম যন্ত্রমেধার অপব্যবহার, AI ব্যবহার করে জৈব হাতিয়ার প্রয়োগকে। এই তিনটি কারণকে পিরামিডের একেবারে উপরে রাখা হয়েছে। (Science News)

মানুবজাতির অবলুপ্তির সম্ভাব্য কারণ হিসেবে আরও যে কারণগুলিকে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেগুলি হল- রোগব্যাধি, বড় ধরনের আঘাত, আর্থসামাজিক কারণসমূহ এবং অন্যান্য ঝুঁকিকে। যে পিরামিড দেখানো হয়েছে, তাতে সর্বোচ্চ স্তরে থাকা কারণগুলিকে ঘিরে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। কারণ চলতি শতাব্দীর শেষ দিকে সেগুলিই মানজাতিকে বিলুপ্তির দিকে ঠেলে দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সম্ভাব্য ঝুঁকির দরুণ সংঘটিত ক্ষয়ক্ষতির নিরিখে ঝুঁকিগুলিকে সাজানো হয়েছে। 

ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, পারমাণবিক যুদ্ধ হলে তাৎক্ষণিক বহু মানুষের প্রাণহানি হতে পারে যেমন, তার বাইরেও পারমাণবিক দুর্ভিক্ষের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। জৈব অস্ত্র তৈরিতে AI-এর অপব্যবহার নতুন ধরনের বিপদ ডেকে আনতে বলেও সতর্ক করা হয়েছে। AI-এর অপব্যবহারের উপর বিশেষ ভাবে জোর দিয়েছেন গবেষকরা। কয়েকশো ঝুঁকি বিচার-বিবেচনা করে সেগুলিকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করেন। প্রথম শ্রেণিতে সেই সব ঝুঁকিকে রাখা হয়েছে, যেগুলির দ্বারা ২১০০ সালের মধ্যে মানবজাতির বিলুপ্তি ঘটতে পারে। 

মানুষের স্বাস্থ্য এবং সমাজের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে, এমন ১৫টি বড় সম্ভাব্য বিপর্যয়কে আলাদা ভাবে চিহ্নিত করেছেন গবেষকরা, যেগুলি হল- বায়ু দূষণ, অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল রেজিস্ট্যান্স বা জীবাণুদের ওষুধকে প্রতিহত করার ক্ষমতা, শিশুদের অপুষ্টি, জলবায়ু পরিবর্তন, স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ হ্রাস, চিরাচরিত সংঘাত, অত্যধিক মদ্যপান, উচ্চ রক্তচাপ, আয়ের বৈষম্য, শিক্ষার হার নিম্নমুখী হওয়া, AI-এর প্রভাবমুক্ত প্রাকৃতিক ভাবে সৃষ্ট মহামারি, স্থূলতা, মানসিক স্বাস্থ্যের অবনতি, ধূমপান, অস্বাস্থ্যকর বার্ধক্য।

(Feed Source: abplive.com)