
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ট্রাম্প লেখেন, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন জ্বালানি কেনার জন্য রাশিয়াকে ২৫০ বিলিয়ন ডলার দিয়েছে, কিন্তু এই বিষয়টি সংবাদমাধ্যম এড়িয়ে যাচ্ছে। যদিও ট্রাম্পের তরফ থেকে নির্দিষ্ট কোনও সময়সীমা উল্লেখ করা হয়নি। তবে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন ট্রাম্পের বলা এই টাকার অঙ্কটি ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরু করার পর থেকে বলেছেন। এই পরিমাণ টাকা জ্বালানি কেনার জন্য ওই সময়ের মধ্যে রাশিয়ার সঙ্গে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের লেনদেন হয়েছে বলে দাবি করছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। অন্যদিকে, রাশিয়ার জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমাতে পরিকল্পনা নিয়েছে ইউরোপিয়ান কমিশন।
ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে আমেরিকায় বিরাট বিতর্ক তৈরি হয়েছে। চার জন রিপাবলিকান-সহ ছয় মার্কিন সেনেটর যৌথভাবে প্রশাসনকে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, ইউক্রেনের সাধারণ নাগরিকদের উপর রাশিয়ার হামলা চলাকালীন ভ্লাদিমির পুতিনের সরকারকে আর্থিক সুবিধা দেওয়া উচিত নয়।
টেক্সাসের রিপাবলিকান প্রতিনিধি মাইকেল ম্যাককলও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর মতে, ডিজেলের দাম কমানোর উদ্দেশ্য বোঝা গেলেও রুশ তেলের উপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করলে ক্রেমলিনের যুদ্ধের খরচ মেটাতে সুবিধা হতে পারে।
এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্যেরও বিরোধিতা করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিদেশনীতি প্রধান কাজা কালাস। তাঁর মতে, যুদ্ধবিরতি ছাড়া এই মুহূর্তে ইউক্রেনে নির্বাচন আয়োজনের পরিস্থিতি নেই। ট্রাম্প অবশ্য রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাধানে জেলেনস্কিকেই প্রধান বাধা বলে সমালোচনা করেছেন।
