পুজোর দিনগুলিতে পুরনো বাংলা গান যেন উৎসবের আনন্দকে আরও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়। আর সেই গান যদি হয় পালকিতে বউ চলে যায় বা গোল্ড প্রিন্টের শাড়ি পরে…তাহলে তো কথাই নেই৷ কিন্তু এই গানের শিল্পী এখন কী করেন?
‘পালকিতে বউ চলে যায়’ বা ‘গোল্ড প্রিন্টের শাড়ি পরে’—এই গানগুলি ছাড়া এখনও যেন বাঙালির দুর্গাপুজো সম্পূর্ণ হয় না। এই গানগুলি গেয়েছেন মিতা চট্টোপাধ্যায়, যিনি মূলত আশা কণ্ঠী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে তাঁর নিজের গান এতটাই সুপারহিট হয় যে মিতা চট্টোপাধ্যায় নিজের আলাদা পরিচিতি খুঁজে পান।মিতা চট্টোপাধ্যায়ের এই গানও তেমনই এক স্মৃতিমেদুর সুর, যা পুজোর মরশুমে ফিরিয়ে আনে পুরনো দিনের আনন্দ আর আবেগ। বাঙালির পুজোর গানের ভুবনে তাই এই গান আজও বিশেষভাবে মনে রাখার মতো।
মিতা চট্টোপাধ্যায়ের গানের কথায় রয়েছে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া, সুরে রয়েছে উৎসবের আমেজ। এই গান শুনলেই যেন মনে পড়ে যায় পুরনো দিনের পুজো, পাড়ার জলসা আর চেনা উৎসবের পরিবেশ। সময় বদলেছে, বদলেছে পুজো উদ্যাপনের ধরনও। কিন্তু কিছু গান আজও বাঙালির নস্ট্যালজিয়ার সঙ্গী।
তবে এই শিল্পী নিজে কীভাবে কাটান দুর্গাপুজো? এখন কোথায় রয়েছেন তিনি? মিতা চট্টোপাধ্যায়ের শ্বশুরবাড়িতে দুর্গাপুজো হয়। ফরিদপুরে প্রথম দুর্গাপুজো শুরু হলেও এরপর সেখান থেকে মাটি এনে কলকাতায় প্রায় ৭৫ বছর ধরে পুজো হচ্ছে এই বাড়িতে। এই বাড়ির পুজোর বিশেষত্ব হল সধবা পুজো এবং কুমারী পুজো।
বিয়ের আগে দুর্গাপুজোয় নানা মণ্ডপে ঘুরতে গেলেও এখন আর তা করেন না তিনি। কারণ এখন একেবারে বাড়ির পুজোতে সকলের সঙ্গে সময় কাটান মিতা। এখন আর পুজোয় কোনও অনুষ্ঠান করেন না এই শিল্পী।
তাঁর গাওয়া গান যখন প্রথমবার বাজারে এসেছিল, তখন তা একেবারেই সফল হয়নি। সালটি ছিল ১৯৯৩। এমনকী গানটি যে কোম্পানির ব্যানারে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল, সেটাও চিরতরে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তবে ২০০০ সালে অন্য একটি রেকর্ড লেবেলের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে এই গানটি বাজারে আসতেই হয়ে যায় সুপারহিট! দ্বিতীয়বার এই গান রিলিজ হতেই মিতা চট্টোপাধ্যায় খুবই খ্যাতি পান এবং তাঁকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
(Feed Source: news18.com)
