
তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে হাতিয়ে নেওয়া হয় ৭.৯৩ লক্ষ টাকারও বেশি। এই ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে প্রায় ৪৫০টি সাইবার অপরাধের সঙ্গে যুক্ত একটি বড় প্রতারণা চক্রের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। তদন্তকারীদের অনুমান, এই চক্রের মাধ্যমে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ কোটি টাকার লেনদেন হয়ে থাকতে পারে।
এর পর বিভিন্ন অজুহাতে তাঁকে মোট ৭,৯৩,৩৫১ টাকা পাঠাতে রাজি করানো হয়। কিন্তু প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ৪৫ লক্ষ টাকা তো মেলেইনি, উল্টে নিজের সঞ্চিত অর্থও হারান তিনি। ২৫ সেপ্টেম্বর পাওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
পুলিশের দাবি, এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা ছাত্রছাত্রী, ডেলিভারি কর্মী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের কমিশনের লোভ দেখিয়ে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও সিম কার্ড সংগ্রহ করতেন। কিছু ক্ষেত্রে ব্যাঙ্কের পাসবুক, এটিএম বা ডেবিট কার্ড এবং ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিংয়ের তথ্যও নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ।
এরপর সেই তথ্য ও সিম কার্ড হরিয়ানায় থাকা সহযোগীদের কাছে পাঠানো হত বলে তদন্তকারীদের সন্দেহ। এই অ্যাকাউন্টগুলিই সাইবার প্রতারণার টাকা লেনদেনের কাজে ব্যবহৃত হত বলে অভিযোগ।
পুলিশের অভিযোগ, কমিশনের বিনিময়ে তাঁরা সাইবার অপরাধীদের কাছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য ও সিম কার্ড সরবরাহ করতেন। এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে দেশজুড়ে প্রায় ৪৫০টি সাইবার অপরাধের যোগ থাকতে পারে বলে তদন্তকারীরা মনে করছেন। পুরো আর্থিক লেনদেন এবং পলাতক এক অভিযুক্তের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আগাম টাকা পাঠাবেন না: পুরনো নোট বা কয়েন কেনার নামে রেজিস্ট্রেশন, প্রসেসিং ফি কিংবা অন্য কোনও অজুহাতে টাকা চাইলে সতর্ক হন। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ভাড়া দেবেন না: কমিশন বা মাসিক টাকার বিনিময়ে কাউকে নিজের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে দেবেন না।
(Feed Source: news18.com)
