
ধর্নাস্থলে রাহুলের সঙ্গে উপস্থিত রয়েছেন কগ্রেসের ইমরান প্রতাপগড়ী, পবন খেরা, উদয় ভানু সি-রা। ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার আওতায় সেখানে ১৬৩ ধারা কার্যকর রয়েছে বলে জানায় পুলিশ। সেই অবস্থাতেই ধর্নায় বসে গিয়েছেন রাহুল। অঙ্কিতার মা-বাবাকে নিরাপত্তা দেওয়ার দাবি তুলছেন তাঁরা। পাশাপাশি, দুষ্মন্তকে রাজ্যপাল নিয়োগ করার সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখার দাবিও তুলছেন। CBI তদন্ত সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত ওই সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখার দাবি জানাচ্ছে কংগ্রেস।
#WATCH | 2022 Ankita Bhandari murder case: Lok Sabha LoP Rahul Gandhi meets Ankita Bhandari’s parents at India Gate in Delhi They are protesting against the appointment of BJP leader Dushyant Kumar Gautam as the Governor of Sikkim https://t.co/ZdiuPvaSZp
— ANI (@ANI) October 14, 2026
অঙ্কিতার বাবা বীরেন্দ্র সিংহ এবং মা সোনি দেবী রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করতে চেয়ে দিল্লি এসেছেন। মেয়ের মৃত্যুর তদন্ত সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত যাতে দুষ্মন্তকে রাজ্যপাল নিয়োগের সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা যায়, সেই মর্মে আবেদন জানাতে চান। তাঁদের বক্তব্য, “আমাদের বিনীত নিবেজন, CBI তদন্ত সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত দুষ্মন্ত গৌতমকে রাজ্যপাল নিয়োগ করা না হয় যেন। দুষ্মন্ত কুমারের জেলে ঠাঁই পাওয়া উচিত।” সোনি জানিয়েছেন, ১২ অক্টোবর দুষ্মন্তের রাজ্যপাল নিযুক্ত হওয়ার কথা জানতে পারেন তাঁরা। তাঁর কথায়, “আমরা মর্মাহত। রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ, তিনি নিজেও মহিলা। আমাদের আবেগ নিশ্চয়ই বুঝবেন।” ইন্ডিয়া গেটের সামনে মাটিতে বসে কেঁদে ফেলেন সোনি। জানান, সিদ্ধান্ত স্থগিত না হলে উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর ধামির বাসভবনের সামনে অনশনে বসবেন তাঁরা।
২০২২ সালের ঘটনা। হঠাৎই নিখোঁজ হয়ে যান ১৯ বছর বয়সি কিশোরী অঙ্কিতা। একটি রিসর্টে রিসেপশনিস্ট ছিলেন তিনি। রিসর্টের মালিক ছিল বিজেপি নেতা বিনোদ আর্যর ছেলে পুলকিত। সেখানে ভিভিআইপি অতিথিদের সঙ্গ দেওয়ার জন্য, শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হওয়ার জন্য অঙ্কিতার উপর চাপসৃষ্টি করা হয় বলে জানা যায়। টাকার প্রলোভনেও রাজি না হলে ধাক্কা মেরে খালি ফেলে দেওয়া হয় অঙ্কিতাকে। পরে দেহ উদ্ধার হয় তাঁর। প্রমাণ লোপাট করতে রিসর্টের একটি অংশ ভেঙেও ফেলা হয়। চাপে পড়ে পরবর্তীতে অপরাধ কবুল করে পুলকিত এবং তার সহযোগীরা। বাবা ও ছেলেকে বহিষ্কার করে বিজেপি। সেশন কোর্টে দোষীও সাব্যস্ত হয় তারা।
কিন্তু ওই রিসর্টে কাদের যাতায়াত ছিল, কারা হেনস্থা করছিল অঙ্কিতাকে, তার উত্তর আজও মেলেনি। চার বছর পর সবে CBI তদন্ত শুরু হলেও, তদন্ত গতি পায়নি তেমন। তবে এই ঘটনায় বার বার করে রাজ্যে বিজেপি-র দায়িত্ব প্রাপ্ত নেতা দুষ্মন্ত গৌতমের নাম উঠে এসেছে। ভিভিআইপি হিসেবে ওই হোটেলে তাঁর যাওয়ার কথা জানা গিয়েছে যেমন, অঙ্কিতার মা-বাবাও সরাসরি তাঁর দিকে আঙুল তুলেছেন। সেই দুষ্মন্তকেই সম্প্রতি সিকিমের রাজ্যপাল নিয়োগ করা হয়, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদীর নামে যে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়, তাতেই নিযুক্তির কথা জানানো হয়। সেই নিয়েই পারদ চড়তে শুরু করেছে। উত্তরাখণ্ডেও রাস্তায় নামছে কংগ্রেস।
(Feed Source: abplive.com)
