Heart Attack Risk: দুর্গাপুজা ও আসন্ন উৎসবের মরশুমে হার্টের রোগীদের কী কী সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে? ভরপেট মাংস,মাছ খেয়েও নিজেকে সুস্থ রাখবেন কী ভাবে,জানাচ্ছেন বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ললিত কাপুর।
সিক্রেট বলে দিলেন বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ
কলকাতা: হৃদয়ের সমস্যা বা হার্টের রোগ ধরা পড়লেই মানুষের চিন্তার অন্ত থাকে না। আর তাতে বাড়ির লোকের চিন্তা আরও বেশি হয়। এটা করা যাবে না, ওটায় বারণ, সব নিয়ে সমস্যায় জেরবার। আর হার্টে স্টেন্ট বসলে বা বাইপাস সার্জারি হলে তো কথাই নেই। আর এই দুর্গাপুজোরর সময় আসলে হতাশায় ভেঙে পড়েন এই রোগীরা এবং তাদের বাড়ির লোক। তবে যাই হোক না কেন,হৃদয়কে কষ্ট দিয়ে,হার্টের দুয়ারে খিল না এঁটে সামান্য কিছু নিয়ম মেনে মনের আনন্দে প্যান্ডেল হপিং আর ঠাকুরের দর্শন করতে বাধা নেই বলে জানাচ্ছেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
আমাদের দেশ বর্তমানে সারা বিশ্বের মধ্যে ডায়াবেটিক ক্যাপিটালে রূপান্তরিত হয়েছে। বিশ্বের প্রতি পাঁচজনের মধ্যে আমাদের দেশের একজন ডায়বেটিসে আক্রান্ত আর তার সঙ্গে তো দোসর হিসেবে হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত অনেকেই। তবে আসন্ন উৎসবের মরশুমে অনিয়মই নিত্যসঙ্গী। পেট পুজো উৎসবের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িত, চিংড়ির মালাইকারি থেকে ইলিশ ভাপা,কব্জি ডুবিয়ে খাসির মাংস, কাবাব,তন্দুরি খেয়েও পুজো নির্বিঘ্নে কীভাবে হার্টের রোগীরা কাটাবেন, সেই গোপন টিপস দিয়ে দিলেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ললিত কাপুর।
প্যান্ডেল,ঠাকুর দেখতে বেরোন একটু সকাল সকাল। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বাড়ে। যত ভিড় এড়িয়ে চলবেন, ততই ভাল। হার্টের অসুখ থাকলে একটা কথা ভুললে চলবে না, কোনও রকম শারীরিক অস্বস্তি হলে দেরি না করে বাড়ি ফিরে এসে বিশ্রাম নিতে হবে। যদি কষ্ট অনেকটা বেশি লাগে তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। উৎসবের সময়টায় বিশেষজ্ঞ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কন্টাক্ট নম্বর হাতের কাছে রাখা বাঞ্ছনীয়।
ঘরে – বাইরে খাওয়া আর আনন্দের মাঝে শরীরের যত্ন নেওয়ার কথা ভুলে গেলে চলবে না। হার্টের অসুখ থেকে থাকলে বা আগে অপারেশন হয়ে থাকলে, যে কঠিন নিয়ম মেনে চলতে হয়, পুজোর সময় তা খানিকটা শিথিল হতে পারে বটে। কিন্তু নিয়ম থেকে দূরে গিয়ে কোনও কিছুই করা ঠিক নয়। যদি অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি হয়ে থাকে বা স্টেন্ট বসে, তা হলে বেশি তেলমশলা দেওয়া খাবার, ধূমপান-মদ্যপান থেকে দূরে থাকতে হবে। পছন্দের খাবার খেতে ইচ্ছে হলে খান, কিন্তু পরিমিত। এক দিন একটু ভারী খেয়ে ফেললে, পর দিন একদম হালকা স্যুপ জাতীয় জিনিস খান। নরম পানীয় একেবারেই চলবে না। আর পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিতে হবে।
রাত জেগে ঠাকুর দেখার ইচ্ছে হলে, সে লোভ ত্যাগ করাই ভাল। ময়দা জাতীয় খাবার যত কম খাওয়া যায় ততই সুবিধার, ময়দা হার্টের অন্যতম শত্রু। ঋতুক বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন সামান্য কিছু নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চললেই এবারের পূজো খুব ভালোভাবে কাটবে প্রত্যেক হৃদরোগীদের।
(Feed Source: news18.com)