Gen Z Protest : ‘দেশকে ভুল পথে যেতে দেওয়া যায় না’, জেন জি আন্দোলনের মাঝেই হঠাৎ মুখ খুললেন কপিল দেব

Gen Z Protest :  ‘দেশকে ভুল পথে যেতে দেওয়া যায় না’, জেন জি আন্দোলনের মাঝেই হঠাৎ মুখ খুললেন কপিল দেব

Kapil Dev : দিল্লিতে জেন জি-দের আন্দোলন। তা নিয়ে হঠাৎ করেই কপিল দেব মুখ খুললেন। বললেন, তরুণ প্রজন্ম যা বলে, সব যে ঠিক, তা কিন্তু নয়।

জেন জি-দের উদ্দেশে বার্তা কপিল দেবের।

কলকাতা : ভারতের ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের অধিনায়ক কপিল দেব দেশের তরুণ প্রজন্মকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার বার্তা দিলেন। তাঁর মতে, তরুণদের উচিত অন্যের কথা মন দিয়ে শোনা, অভিজ্ঞতাকে গুরুত্ব দেওয়া এবং কোনও বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বিভিন্ন দিক বিবেচনা করা।

এক সাক্ষাৎকারে ৬৭ বছর বয়সি প্রাক্তন ভারতীয় অলরাউন্ডার বলেন, “তরুণদের শিখতে হবে কীভাবে অন্যের কথা শুনতে হয় এবং আরও দায়িত্বশীল হতে হয়। তারাই দেশের ভবিষ্যৎ। আমরা তাদের ভুল পথে পরিচালিত হতে দিতে পারি না। ওরা সব সময় সঠিক হয় না, আর ওদের এটাও বুঝতে হবে যে আমাদের অভিজ্ঞতা রয়েছে।” কপিল আরও বলেন, “আমাদের দেশ অত্যন্ত সুন্দর। আমরা দেশকে ভুল পথে যেতে দিতে পারি না।”

কেন তরুণদের উদ্দেশে এই বার্তা?দেশজুড়ে নির্বাচন কমিশন, কমিশনার এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR-কে ঘিরে বিতর্কের মধ্যে কপিল দেবের এই মন্তব্য সামনে এসেছে। ৩১ বছর বয়সি অভিজিৎ দীপকের প্রতিষ্ঠিত Cockroach Janta Party (CJP) মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালাচ্ছে। ভোটার তালিকার সংশোধন প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে তারা।
দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনাজ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে CJP ১৬ অক্টোবর দেশজুড়ে তিরঙ্গা মিছিলের ঘোষণা করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে ৬ অক্টোবর দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ দেখানোর পরিকল্পনা করলেও দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী আন্দোলনকারীদের মিছিল আটকে দেয় বলে দাবি।

১০ অক্টোবর বিরোধী দলগুলির জোট INDIA-ও প্রতিবাদ মিছিল করে। পরে যন্তর মন্তরকে বিক্ষোভস্থল হিসেবে বাতিল করার পর সেখানে CJP-র কয়েকজন নেতা অনুমতি ছাড়া প্রবেশ করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয় বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের পদক্ষেপ৬ অক্টোবরের বিক্ষোভের সময় পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ, বহু মানুষকে আটক করা এবং আন্দোলনকারী ও সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলে একাধিক আবেদন জমা পড়ে। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় সরকার ও দিল্লি পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিক নোটিস জারি করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।(Feed Source: news18.com)