
#শান্তিপুর: একের পর এক দুঃসাহসিক চুরির ঘটনা সামনে উঠে আসছে নদিয়ার শান্তিপুরে। কখনও লাগাতার মন্দিরের বিগ্রহ, বিগ্রহের গয়না অথবা প্রণামী বাক্সের টাকা চুরি। আবার কখনও গৃহস্থের বাড়িতে ভর দুপুরে দুঃসাহসিক চুরি। কিংবা গৃহস্থের বাড়িতে কোনও সদস্য না থাকার সুযোগ নিয়ে রাতের অন্ধকারে সর্বস্ব চুরির ঘটনা উঠে আছে খবরের শিরোনামে। লাগাতার এই সমস্ত চুরি নিয়ে স্থানীয়রা উদ্বিগ্ন।
ঠিক তেমনই আবারও বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে গৃহস্থ বাড়িতে দুঃসাহসিক চুরির ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য। নগদ ৮০ হাজার টাকা চুরি করে দুষ্কৃতীরা। ঘটনাটি শান্তিপুর মাতাল গড় এলাকার। ওই এলাকার বাসিন্দা পিনাকী দাসের দাবি, তাঁর স্বামী শান্তিপুর হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। রাতে স্বামীর সঙ্গে হাসপাতালে ছিলেন তিনি। প্রয়োজনীয় জিনিস বাড়িতে এসে দেখেন গেটের তালা খোলা, এরপর ঘরের ভেতরে ঢুকে দেখে সবকিছু তছনছ অবস্থায় পড়ে। যদিও নগদ ৮০ হাজার টাকা ঘরের ভেতরে ছিল বলে দাবি পিনাকী দাসের, আর সেই নগদ অর্থ চুরি করে নেয় দুষ্কৃতীরা।
সকালে ওই গৃহস্থ বাড়িতে যায় ওই এলাকার তৃণমূল কাউন্সিলর প্রভাত বিশ্বাস, এ ছাড়াও পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। যদিও চুরির ঘটনায় শান্তিপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়, ঘটনাস্থলে যায় শান্তিপুর থানার পুলিশ। চুরির ঘটনার সঙ্গে কে বা কারা জড়িত তার তদন্ত শুরু করে। যদিও প্রতিদিনই যেভাবে শান্তিপুরের বিভিন্ন এলাকায় চুরির ঘটনা ঘটছে তাতে করে ইতিমধ্যে কপালে চিন্তার ভাঁজ পুলিশ প্রশাসনের। এখন নগদ ৮০ হাজার টাকা চুরি হয়ে যাওয়ায় দিশাহীন গৃহস্থ পরিবার।
প্রসঙ্গত, একের পর এক চুরির ঘটনার জেরে চিন্তার ভাঁজ শান্তিপুরবাসীর কপালে। স্থানীয়রা জানান, বাড়ি ফাঁকা রেখে কোথাও যাওয়া কিংবা বিনা পাহারায় মন্দিরে দামি জিনিসপত্র অলংকার রাখতে ভরসা পাচ্ছেন না। লাগাতার চুরির ঘটনায় পুলিশ প্রশাসন কি ভূমিকা পালন করেন সেটিই এখন দেখার।
(Feed Source: news18.com
