Headline
এখানে প্রকাশিত বেশ কিছু সংবাদ অন্য ভাষা থেকে বাংলায় স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির মাধ্যমে অনুদিত, তাই ভাষান্তরে বানান ও অন্যান্য ত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনীয়।
গ্রামের দেয়াল ব্ল্যাকবোর্ডে পরিণত হয়েছে, মোড়ে মোড়ে পরিণত হয়েছে ক্লাসরুম: মাধব স্যার উপস্থিতির জন্য অভিভাবকদের সম্মান জানালেন, আজ জাতীয় পুরস্কার পাবেন
গ্রামের দেয়াল ব্ল্যাকবোর্ডে পরিণত হয়েছে, মোড়ে মোড়ে পরিণত হয়েছে ক্লাসরুম: মাধব স্যার উপস্থিতির জন্য অভিভাবকদের সম্মান জানালেন, আজ জাতীয় পুরস্কার পাবেন

মধ্যপ্রদেশের দামোহ জেলার লিধৌরা গ্রামে, প্রতিটি মোড়ে বাচ্চাদের পড়াশোনা করতে দেখা যায়। যে কোনো রাস্তায় প্রবেশ করলেই দেখা যাবে রাস্তার শেষ প্রান্তে দেয়ালে লেখা গণিত ও বিজ্ঞানের সূত্র। ঘোরাঘুরি ও দৌড়াদৌড়ি করার সময় শিশুরা সেগুলো পড়ে। রাস্তার পাশ দিয়ে যাওয়া কেউ বাচ্চাদের থামিয়ে দেয়ালে যা লেখা আছে তা পড়তে বলে। ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করতে না পারলে সে বলে। পুরো গ্রাম যেন একটা শ্রেণীকক্ষে পরিণত হয়েছে। দামোহ জেলার লিধৌরা গ্রামের প্রতিটি রাস্তায় এই ধরনের ক্লাস হয়। এই আশ্চর্যজনক গ্রামের মাস্টার ‘মাধব…

Read More

পুজোর মুখে সুখবর! ছাত্রছাত্রীদের অ্যাকাউন্টে কড়কড়ে ১০ হাজার টাকা, বড় ঘোষণা মমতার
পুজোর মুখে সুখবর! ছাত্রছাত্রীদের অ্যাকাউন্টে কড়কড়ে ১০ হাজার টাকা, বড় ঘোষণা মমতার

কলকাতা: সরকারের পক্ষ থেকে পড়ুয়াদের ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হল শিক্ষক দিবসে। ২০২১ সালে শুরু হওয়া তরুণের স্বপ্ন প্রকল্পের অধীনেই আজও আনুষ্ঠানিকভাবে এই ছাত্র সহায়ক প্রকল্পের কাজটি করা হয়। আজ ধনধান্যে অডিটোরিয়ামে শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন “বাংলার উন্নয়ন নিজের চোখে দেখতে হবে। বাংলা শান্তিপূর্ণ রাজ্য।” একইসঙ্গে মমতা বলেন, “আজও আমরা ১০ হাজার টাকা করে দিয়েছি ৯ লক্ষ ৭৮ হাজার পড়ুয়াকে। আজ দিলাম দ্বাদশ শ্রেণীর পড়ুয়াদের। খরচ হয়েছে ৯৭৮ কোটি টাকা। এই আইডিয়াটা এসেছিল…

Read More

২০ বছর পার, নেন না এক পয়সাও! মিলন মাস্টারের গল্পে চমকে উঠবেন
২০ বছর পার, নেন না এক পয়সাও! মিলন মাস্টারের গল্পে চমকে উঠবেন

#বক্সিরহাট: সরকারি এই প্রাথমিক স্কুলের নাম মহিষকুচি নিম্ন বুনিয়াদী বিদ্যালয়। ভাইপোকে স্কুলে ভর্তি করানোর জন্য নিয়ে গিয়েছিলেন মৃত্যুঞ্জয় লাহিড়ী ওরফে মিলন লাহিড়ী। সেই সময় দেখেন স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা ছিল প্রায় সাড়ে পাঁচশো কিন্তু, শিক্ষকের সংখ্যা চার এবং ক্লাস ঘরের সংখ্যা পাঁচ। খুব স্বাভাবিকভাবেই শিক্ষকদের ওপর চাপ বড্ড বেশি। কথায় কথায় প্রধান শিক্ষক তারা প্রসাদ ভট্টাচার্য, মৃত্যুঞ্জয় বাবুর কাছে সহযোগিতা চেয়েছিলেন। মৃত্যুঞ্জয় বাবু তখন কিছু ছাত্র পড়িয়ে রোজগার করেন, পড়ানোই তার একমাত্র নেশা। তাই প্রধান শিক্ষকের ডাকে সাড়া দিতে তিনি…

Read More