
বিস্ফোরক তথ্য…
এদিকে সূত্রের খবর, হস্টেলের রাঁধুনির বয়ান থেকে হাড়হিম করা তথ্য় উঠে এসেছে। জানা যাচ্ছে, র্যাগিংয়ের নামে বারান্দার রেলিং দিয়ে হাঁটানো হত জুনিয়রদের? সিনিয়রদের কথা না শুনলেই বারান্দার রেলিং দিয়ে হাঁটানো হত জুনিয়রদের, উঠে এসেছে এমন তথ্যও। হস্টেলের বারান্দার রেলিং দিয়েও হাঁটানো হত জুনিয়রদের, বিস্ফোরক বয়ান যাদবপুরের হস্টেলের রাঁধুনির, খবর পুলিশ সূত্রে। ঘটনাচক্রে প্রাথমিক ভাবে যা জানা গিয়েছে, তাতে হস্টেলের ৩ তলা থেকে পড়েই মারা যান প্রথম বর্ষের এক পড়ুয়া। তা হলে কি র্যাগিংয়ের জেরেই বারান্দার পাঁচিল দিয়ে হাঁটানোর সময় পড়ে মৃত্যু হয়েছিল তার? প্রশ্ন ছিল আরও। দিনের পর দিন এমন ভয়ঙ্কর র্যাগিং চলত, কিছুই জানত না কর্তৃপক্ষ নাকি সব জেনেও চোখ বুজে ছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়? যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলের রাঁধুনির বিস্ফোরক বয়ান ঘিরে উঠছে প্রশ্ন। প্রথম বর্ষের ছাত্রের মৃত্যুতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে আতঙ্ক। যাদবপুরের হস্টেল ছাড়ছেন ছাত্রদের একাংশ।
দিকে দিকে প্রতিবাদ…
এদিন পড়ুয়ামৃত্যুর প্রতিবাদে শহরে একের পর এক প্রতিবাদ মিছিল হয়। একদিকে তৃণমূলপন্থী শিক্ষক, অশিক্ষক কর্মচারী, পড়ুয়ারা মিছিল করেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। একই সঙ্গে অরবিন্দ ভবনের সামনে তৃণমূল বিরোধী স্লোগান দেয় ছাত্র সংগঠন আইস। সেই অনুষ্ঠান ঘিরে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। অন্য দিকে আবার কলেজ স্ট্রিট অবরোধ করেন এসএফআইয়ের সদস্য়রা। পার্ক সার্কাসে যাদবপুরে পড়ুয়ামৃত্যুর প্রতিবাদে পথে নামেন আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারাও। সব মিলিয়ে দিকে দিকে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ।পার্ক সার্কাস ক্যাম্পাস থেকে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের যে মিছিল বেরোয়, তাঁদের বক্তব্য একটাই ‘ন্যায়বিচার চাই।’ এক বিক্ষোভকারী বললেন, ‘এরকম ঘটনা বার বার ঘটছে। সেটা যেন না হয়, শিক্ষিত সমাজকে সেই বার্তা দিতেই আজ আমরা পথে নেমেছি।’ আর এক পড়ুয়া বললেন, ‘যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় দেশের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়। তার ক্যাম্পাস যাতে Ragging-মুক্ত হয়, সেই লক্ষ্যেই আমাদের এই মিছিল।’ বিক্ষোভকারীদের দাবি, এর জন্য যে যে পদক্ষেপ জরুরি তার সবকটাই নিতে হবে কর্তৃপক্ষকে। যাদবপুরের পড়ুয়ামৃত্যুর নেপথ্যে যারা দায়ী তাদের প্রত্যেককে দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে, সার্বিক ভাবে এমনই দাবিতে সরব বিক্ষোভকারীরা।
(Feed Source: abplive.com)
