
কীভাবে দুর্ঘটনা ?
মা ফ্লাইওভারে প্রচণ্ড গতিতে একটি বিলাসবহুল গাড়ি আসছিল। পার্ক সার্কাস সেভেন পয়েন্টের সামনে মা ফ্লাইওভারের যে অংশ রয়েছে বা ডাইভারসনে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার মাঝে থাকা ডিভাইডারে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কা মারার সঙ্গে সঙ্গে সিগন্যালের পোস্ট উপড়ে রাস্তায় ছিটকে পড়ে। শুধু তা-ই নয়, ডিভাইডার থেকে প্রায় ৪-৫ ফুট উঁচুতে উঠে যায় গাড়িটি। ওই অবস্থায় গাড়িটি আটকে যায়। গাড়ির ভেতরে চালক ছিলেন। রাস্তা দিয়ে পেরনো অন্যান্য গাড়ির চালকরা গাড়ি থামিয়ে তাঁকে কোনওক্রমে গাড়ি থেকে বের করেন। সঙ্গে সঙ্গে কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশের অফিসাররা আসেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছেন তাঁরা। দুর্ঘটনায় গাড়ির চালক রক্তাক্ত হয়েছেন। তাঁর হাতে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত রয়েছে। ঘটনার জেরে ফ্লাইওভারের দু’দিকেই যানজট সৃষ্টি হয়।
দিনকয়েক আগেই মা উড়ালপুলে (Maa Flyover) গতির বলি হয় সেন্ট জেভিয়ার্স (St. Xavier’s College) কলেজের এক ছাত্র। গুরুতর জখম হন এক তরুণী-সহ ৪ জন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁদের CMRI হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
পুলিশ সূত্রে খবর, রাত সোয়া ১২টা নাগাদ সায়েন্স সিটির সামনে মা উড়ালপুলের ওপর দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডার ও ল্যাম্পপোস্টে সজোরে ধাক্কা মারে পার্ক সার্কাসের দিক থেকে চিংড়িঘাটার দিকে যাওয়া গাড়িটি। দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া গাড়িটিকে গ্যাস কাটার দিয়ে কেটে সকলকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় চালকের আসনে থাকা সেন্ট জেভিয়ার্সের পড়ুয়া ১৯ বছরের নীহার আগরওয়ালের। দুর্ঘটনার জেরে রাতে মা উড়ালপুলে প্রায় ২ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।
প্রাথমিকভাবে জানা যায়, দুরন্ত গতিতে গাড়ি চালানোর জন্যই এই দুর্ঘটনা ঘটে। গাড়িটি পার্ক সার্কাসের দিক থেকে চিংড়িঘাটার দিকে যাচ্ছিল মা উড়ালপুল ধরে। প্রগতি ময়দান থানার সায়েন্স সিটির কাছে মা উড়ালপুলের উপরেই গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ১২টা ১৫ মিনিট নাগাদ দুর্ঘটনা ঘটে। মা উড়ালপুলে কংক্রিটের নির্মাণের উপরে যে ল্যাম্প পোস্ট আছে তাতে গিয়ে ধাক্কা মারে গাড়িটি। ধাক্কার জেরে ল্যাম্প পোস্টটি উপড়ে যায়। তা-ই নয়, গাড়িটি যাচ্ছিল চিংড়িঘাটার দিকে, কিন্তু ধাক্কার তীব্রতা এতটাই ছিল যে, সেটি লেন পরিবর্তন করে ফেলে। অর্থাৎ, চিংড়িঘাটা থেকে পার্ক সার্কাস যাওয়ার লেনের দিকে চলে আসে।
(Feed Source: abplive.com)
