
রেড ক্রসের গাড়ি…
রেড ক্রসের যে কনভয়ে মুক্ত পণবন্দিদের আনা হচ্ছে, তাতে খানচারেক গাড়ি রয়েছে বলে খবর। এক একটি গাড়িতে অন্তত ছ’জন রয়েছেন বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। সদ্যমুক্তদের ইজরায়েলের একটি শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা করা হতে পারে। সেই মতো তৈরি হচ্ছে হাসপাতালটি। পণবন্দিদের মধ্যে কোনও শিশু থাকলে, কী ভাবে তাদের সঙ্গে কথা বলতে হবে সে ব্যাপারে আইডিএফ সদস্যদের আগেই বিশদ নির্দেশিকা দিয়েছে বেঞ্জামিন নেতানইয়াহু প্রশাসন। হামাসের হাতে পণবন্দি থাকায় তাদের মানসিক অবস্থা কী রকম থাকবে, সেই নিয়ে যথেষ্ট উদ্বেগের জায়গা রয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে মুক্তি পাওয়ার পর কী ভাবে তাদের সঙ্গে কথা বলা হবে, তা নিয়ে আইডিএফ আধিকারিকদের বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
কী জানা গেল?
শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ৭ সপ্তাহের বন্দিদশা কাটিয়ে মিশরে পৌঁছেও গিয়েছেন ১৩ জন ইজরায়েলি। তবে তার আগেই ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অফ রেড ক্রসের তরফে পণবন্দি মুক্ত করার জন্য তাদের অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। গত ৭ অক্টোবর থেকে ইজরায়েল-হামাসের মধ্যে যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলছে, তাতে এটিই প্রথম যুদ্ধবিরতি। ২৫ জন পণবন্দি মুক্তির পরিবর্তে ইজরায়েলে বন্দি প্যালেস্তিনীয়দেরও ছাড়া হবে বলে বিভিন্ন সূত্রে খবর। চার দিন ধরে এই সংঘর্ষবিরতি বলবৎ থাকার কথা। তার মধ্যে ৫০ জন পণবন্দিকে মুক্তি দেওয়ার ব্যাপারে রাজি হয়েছিল হামাস। তবে এদিন যে ১২ জন তাই-নাগরিককে ছাড়া হয়েছে, সেটি হামাসের সঙ্গে কাতার এবং মিশরের আলাদা একটি চুক্তির শর্ত ছিল। অন্য দিকে, ১৫০ জন বন্দিকে ছাড়ার কথা ইজরায়েলের। এদের মধ্যে অনেকেই মহিলা। কেউ কেউ আবার ইজরায়েলি সেনাবাহিনীর সদস্যদের খুনের চেষ্টার অভিযোগে প্রমাণিত অপরাধী। ১৫ জন কিশোর-কিশোরীও রয়েছে। ইজরায়েলের বাহিনীর দিকে পাথর ছোড়ার অভিযোগ রয়েছে এদের বিরুদ্ধে।
এবার অপেক্ষা ইজরায়েল থেকে পণবন্দি মুক্তির।
(Feed Source: abplive.com)
