)
পূর্ব বর্ধমান: চিকেন পকোড়া নিশ্চয়ই খেয়েছেন? বেশিরভাগ বিয়ে বাড়ির স্টার্টারে চিকেন পকোড়া থাকে। পাশাপাশি ফুটপাতের স্টল থেকে শুরু করে নামিদামী রেস্তোরাঁ সর্বত্রই বিক্রি হয় জিভে জল আনা এই মাংসের পকোড়া। ফুটপাতের স্টলগুলোতে সাধারণত পিস হিসেবে বিক্রি হয় চিকেন পাকোড়া। তবে বড় বড় রেস্তোরাঁয় এটি প্লেট হিসেবে বিক্রি হতে দেখা যায়। তা বলে কেজি দরে মাংসের পকোড়া বিক্রি! এমনই অবাক দৃশ্য দেখা গেল বর্ধমান শহরে।
বর্ধমান শহরে ওজন দরে বিক্রি হচ্ছে চিকেন পকোড়া। ছোট্ট একটা টেবিল, আর তার মধ্যেই সাজানো রয়েছে বিভিন্ন ধরনের খাবার। তবে ওজন দরে বিক্রি হওয়া চিকেন পকোড়ার চাহিদাই সবচেয়ে বেশি। এই চিকেন পকোড়ার ১০০ গ্রামের দাম ৪০ টাকা, ৫০ গ্রাম ২০ টাকা এবং ২৫ গ্রামের দাম ১০ টাকা।
চিকেন পকোড়া নিলে তার সঙ্গে দিচ্ছে চাটনি ও স্যালাড। যে দোকানে কেজি দরে মাংসের পকোড়া বিক্রি হচ্ছে তার কর্ণধার হলেন সিঞ্চন দে। এমন অভিনব ভাবনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ৩ মাস হল এই দোকান খুলেছেন। পিসের বদলে ওজন দরে চিকেন পকোড়া বিক্রির কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সিঞ্চনবাবু বলেন, অন্যান্য দোকানে খেয়ে দেখেছেন পিস হিসেবে যে পকোড়া বিক্রি হয় তার মধ্যে চিকেনের থেকে ব্যাসনের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই গ্রাহকরা যাতে ঠোকে না যায় সেই চিন্তা করেই তিনি কেজি দরে চিকেন পাকোড়া বিক্রির সিদ্ধান্ত নেন।
এবার নিশ্চয় জানতে ইচ্ছে করছে যে বর্ধমান শহরের কোথায় রয়েছে এই দোকান? বর্ধমানের ছোট নীলপুর পিরতলার কাছে এই দোকানটি অবস্থিত। মঙ্গলবার বাদে সপ্তাহের বাকি ছয়দিনই খোলা থাকে। রোজ বিকেলে পাঁচটা বাজলেই সিঞ্চন দে বিভিন্ন খাবারের পসরা নিয়ে হাজির হয়ে যান পীরতলায়। বিকেল পাঁচটা থেকে রাত প্রায় দশটা-সাড়ে দশটা পর্যন্ত দোকান খোলা থাকে।
সিঞ্চন দে’ থেকে জানা গেল, তিনি আগে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভের কাজ করতেন। কিন্তু নিজের কিছু করবেন এই তাগিদে সেই কাজ ছেড়ে এই ব্যবসা শুরু করেছেন। এখন তাঁর দোকানে কেজি দরের চিকেন পকোড়া ছাড়াও ভাপা চিকেন, চিকেন রোল, মোমো, ইত্যাদি সব মুখরোচক খাবার পাওয়া যায়। পরিবারের সদস্যরা মিলে বাড়িতেই এই খাবারগুলি প্রাথমিকভাবে তৈরি করেন। এরপর দোকানে নিয়ে এসে তা বিক্রি করা হয়
বনোয়ারীলাল চৌধুরী
(Feed Source: news18.com)
