
হুগলি: জীবন মৃত্যুতে যখন লড়াই চলে তখন এক একটা মিনিট খুবই দামী হয়ে ওঠে। বিশেষ করে সমস্যাটা যদি হয় হার্ট অ্যাটাকের। সেই সময় প্রতিটি মিনিট প্রতি সেকেন্ড খুবই দামি হয় মরণাপন্ন রোগের জন্য। সঠিক শুশ্রূষাই একজন হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীকে ফিরিয়ে নিয়ে আসতে পারে মৃত্যুর মুখ থেকে। তার জন্য সবার আগে প্রয়োজন ‘সিপিআর’ দেওয়া। এই সিপিআর-র ব্যবহারে একজন সাধারন মানুষও বাঁচাতে পারেন এক মরণাপন্ন রোগীর জীবন।
কী ভাবে এই সিপিআর দিতে হয়?
একটি সতর্কতামূলক প্রশিক্ষণ শিবির অনুষ্ঠিত হল চুঁচুড়া সদর মহাকুমা হাসপাতালে। হাসপাতালে সুপার পার্থ ত্রিপাঠি-সহ চিকিৎসক চিকিৎসা কর্মী ও সাধারণ মানুষরা অংশগ্রহণ করেন এই সতর্কতামূলক সেমিনারে। হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় কী ভাবে একজন মরণাপন্ন রোগীকে বাঁচিয়ে তোলা যায়।
এ প্রসঙ্গে চুঁচুড়া সদর হাসপাতালে সুপার পার্থ ত্রিপাঠি জানান, কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হলে ৩ থেকে ৫ মিনিটেরা সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সেই সময়ের উপরে নির্ভর করে রোগীর বাঁচা-মৃত্যু। সঠিক সময় সঠিক চিকিৎসা পেলে মরণাপন্ন রোগী মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরে আসতে পারেন। তার জন্য প্রয়োজন সঠিক প্রশিক্ষণ।
শুধুমাত্র চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীরা নয় একজন সাধারণ মানুষও বাঁচিয়ে তুলতে পারেন রোগীদের প্রাণ। সেই কথা মাথায় রেখেই এই বিশেষ সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছিল।
রাহী হালদার
(Feed Source: news18.com)
