Kumar Sanu: বাঙালি গায়ক সম্প্রতি অতিথী হয়ে এসেছিলেন কৌতুকশিল্পী ভারতী সিং এবং তাঁর স্বামী হর্ষ লম্বচিয়ার পডকাস্ট শোয়ের অতিথী হয়ে।
‘আপনি তো কাউকে কিছুই বলেননি’…এতদিন কী আড়ালে রেখেছেন শানু? ভারতীর শোতে প্রথমবার নিজেই পর্দা ফাঁস করলেন গায়ক
শতাধিক অনাথ ছেলেমেয়েদের শিক্ষার দায়িত্ব বহুদিন ধরে পালন করে আসছেন। দু’দুটি স্কুল রয়েছে তাঁর। কিন্তু তারকাদের মতো ‘পাবলিসিটি স্টান্ট’ নয়, বরং নিজের পরোপকারের কথা কখনওই খুব একটা ফলাও করে প্রচার করেন না কুমার শানু। বাঙালি গায়ক সম্প্রতি অতিথী হয়ে এসেছিলেন কৌতুকশিল্পী ভারতী সিং এবং তাঁর স্বামী হর্ষ লম্বচিয়ার পডকাস্ট শোয়ের অতিথী হয়ে। এখানেই নিজের স্কুলের কথা জানালেন কুমার শানু।
‘‘কেউ জানে না, কুমার শানু বিদ্যা নিকেতন নামে আমার দুটো স্কুল রয়েছে। যেখানে অনাথ ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করে।’’ শানুর কথা শুনে ভারতীর স্বামী হর্ষ বলেন, ‘‘আপনিতো আজও পর্যন্ত কাউকে কিছুই বলেননি’’। অম্লান বদনে বাঙালি গায়ক জানালেন, ‘‘প্রয়োজনই নেই। আমি আমার নিজের শান্তির জন্য করেছি।’’
স্কুলের সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানালেন শানু। স্কুলে প্রায় ৩০০ ছেলেমেয়ে এই মুহূর্তে পড়াশোনা করছে। তাদের ভরণপোষণ-সহ অন্যান্য সমস্ত খরচের টাকা দেন গায়ক নিজেই। তিনি বলেন, ‘‘ওদের সমস্ত খরচ আমি চালাই। আমার গানের টাকা দিয়েই। পাবলিসিটি করার কি দরকার। এটা আমার নিজের প্রশান্তি।’’ কোনও এনজিও নয়, তিনি নিজের টাকাতেই করেন এই কাজ। শানু জানালেন, ‘‘ আমি আমার ফ্যান ক্লাবকে বলে দিয়েছি, আমি তোমাদের টাকা পাঠিয়ে দেব। তোমরা চালাও।’’
স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের বেতন থেকে বাচ্চাদের বই, খাতা হোক বা জুতো মোজা। সমস্ত ব্যয়ভার বহন করেন গায়ক নিজে। কখনও কখনও কোনও কোনও বন্ধু তাঁকে সাহায্য করতে চান। শানুর কথায়, ‘‘কখনও কখনও আমার কোনও কোনও বন্ধু বলে তোমার স্কুলে আমি বই দেব, পেনসিল দেব। আমি বলি দাও’’।
(Feed Source: news18.com)