
জ়ি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ইডেন গার্ডেন্সে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুখোমুখি হয়েছিল কলকাতা নাইট রাইডার্স ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (Kolkata Knight Riders vs Sunrisers Hyderabad)। ব্যাটে-বলে দুরন্ত কেকেআর ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দিয়েছে এসআরএইচকে (KKR vs SRH)। ৮০ রানে জিতেছে কলকাতা। একেবারে খেলেছে চ্যাম্পিয়নদের মতোই। তবে পরাজিত দলের হয়েই নজর কেড়েছেন ২৬ বছরের স্পিন অলরাউন্ডার কামিন্ডু মেন্ডিস (Kamindu Mendis)।
জীবনে প্রথমবার আইপিএল খেলছেন শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটার, আর এই মঞ্চেই ইতিহাস লিখলেন তিনি। ১৮ বছরের লিগে এই প্রথম কোনও বোলার, ওভার চলাকালীন বোলিং হাত পরিবর্তন করলেন। যার মানে তিন বল করলেন ডান হাতে, বাকি তিন বল করলেন বাঁ-হাতে। অফস্পিনের সঙ্গেই মেশালেন বাঁ-হাতি স্পিন। কেকেআরের ইনিংসের ১৩ নম্বর ওভার যার সাক্ষী থেকেছে। মেন্ডিস প্রতিটি ডেলিভারিই গুড লেন্থে বা সামান্য ফুলারে করেছিলেন, যার ফলে ব্যাটাররা কোনও সুযোগ পায়নি। উল্টে চারে নেমে সেট হয়ে যাওয়া অঙ্গকৃষ রঘুবংশী ৩২ বলে ৫০ রান করে ক্যাচ তুলে দেন। যদিও ডিপ থার্ড থেকে ছুটে এসে অসাধারণ ক্যাচ নেন হর্ষল প্যাটেল। মেন্ডিস এক ওভার বল করে চার রান খরচ করে তুলে নেন এক উইকেট।
‘সব্যসাচী’ মেন্ডিসকে কিন্তু এই প্রথম দেখছে না বাইশ গজ। ২০১৬ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ঠিক এমনটাই করেছিলেন মেন্ডিস। এখানেই শেষ নয়, গত বছর ভারতের বিরুদ্ধে টি-২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচে মেন্ডিস একই ওভারে বাঁ-হাতে বল করেছিলেন সূর্যকুমার যাদবকে ও ডান হাতে বল করেছিলেন ঋষভ পন্থকে। মেন্ডিসের বাঁ-হাতি স্পিন, তাঁর অফস্পিনের চেয়ে তুলনামূলক ভালো।
ওভার চলাকালীন হাত বদল করা বৈধ হলেও, একজন আম্পায়ার যখন প্রতিবার সেই বোলারকে হাত বদলানোর কথা বলেন, ত কিছুটা কঠিন করে দেয় বোলারের ক্ষেত্রে। যদিও কেকেআরের বিরুদ্ধে মেন্ডিসকে প্রতিবার আম্পায়ারকে জানাতে হয়নি বলে মনে করা হচ্ছে। বাস্তবিক পদ্ধতি অনুসরণ করে সর্বদা ডানহাতি ব্যাটারকে বাঁ-হাতে বল করেন এবং বিপরীতভাবেও বল করেন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এর আগে দু’হাতে বল করেছিলেন শ্রীলঙ্কারই হাশান তিলকরত্নে। ১৯৯৬ বিশ্বকাপে কেনিয়ার বিরুদ্ধে ছিল খেলা। তিলকরত্নের আগে বলতে হবে পাকিস্তানের পার্ট-টাইম অফস্পিনার হানিফ মহম্মদের কথা, জামাইকাতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের গ্যারি সোবার্সের রেকর্ড ৩৬৫ রানের টেস্ট ইনিংসের সময় বাঁ-হাতে স্পিন করেছিলেন তিনি।
(Feed Source: zeenews.com)
