Salman Khan Death Threat: ‘সলমানকে মেরে ইনস্টাগ্রামের ফলোয়ার বাড়াতে চাই, অনুপ্রেরণা লরেন্স বিষ্ণোই’, জেরায় আজব দাবি যুবকের…

Salman Khan Death Threat: ‘সলমানকে মেরে ইনস্টাগ্রামের ফলোয়ার বাড়াতে চাই, অনুপ্রেরণা লরেন্স বিষ্ণোই’, জেরায় আজব দাবি যুবকের…

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বোমা মেরে সলমান খানের (Salman Khan) গাড়ি উড়িয়ে দেবে, তাঁর বাড়িতে ঢুকে খুন করবে বলে গত সোমবার হোয়াটসঅ্যাপে এক বার্তা পায় মুম্বইয়ের ওরলি পরিবহন বিভাগের দপ্তর। ফের ভাইজানকে খুনের হুমকি দেওয়ায় নড়েচড়ে বসে মুম্বই পুলিস। এরপর থেকে শুরু হয় খোঁজ। চব্বিশ ঘণ্টা অতিক্রান্ত হওয়ার আগেই সেই হুমকিদাতাকে আটক ককরল মুম্বই পুলিস। জেরায় যুবকের কথা শুনে তাজ্জব পুলিস মহল।

সোমবার (১৪ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৬টা নাগাদ গুজরাটের ভদোদরা থেকে ২৬ বছর বয়সী এক যুবক সলমানকে খুনের হুমকি বার্তা পাঠায়। নিজের ফোন থেকে সলমানকে মারার হুমকি পাঠায় সে। পেশায় তার বাবা এক জ্যুসের স্টল চালায়। সেখান থেকেই তাকে আটক করে পুলিস। হুমকি দেওয়া ওই যুবকের নাম ময়াঙ্ক পাণ্ডেয়া। হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমেই এই বার্তা পাঠিয়েছিল যুবক। বেশ কিছু ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাকে। ওই যুবকের নামে এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়েছে।

পুলিসি জেরায় সে স্বীকার করে যে সলমানকে মারার হুমকি ওই যুবকই দিয়েছিল। তার সঙ্গে লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের কোনও সম্পর্ক নেই। তবে সে লরেন্সের দ্বারা অনুপ্রাণিত। জেরায় সে দাবি করে যে ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ার বাড়ানোর জন্যই সে এই কাজ করেছে। জানা যায় যে ২০১৪ সাল থেকে মানসিক অসুস্থতার চিকিত্‍সা চলছে তাঁর।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সালের অক্টোবরে রাজস্থানে একটি সিনেমার শুটিংয়ে গিয়েছিলেন বলিউড তারকা। সেখানে তাঁর সঙ্গে সোনালি বেন্দ্রে, সাইফ আলিখান ও তাব্বু ছিলেন। তখন সলমান খানের বিরুদ্ধে কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের অভিযোগ উঠে। এরপর থেকেই বিষ্ণোই গ্যাংয়ের টার্গেটে পড়েন তিনি। এরপর মাঝে মধ্যেই প্রাণ নাশের হুমকি পান অভিনেতা। এই গ্যাংয়ের নেতা লরেন্স বিষ্ণোই দাবি করেন যে সলমানকে ক্ষমা চাইতে হবে।

গত বছরের ১৪ এপ্রিল দুই অজ্ঞাত পরিচয় যুবক মোটরসাইকেলে এসে বান্দ্রার সামনে চার রাউন্ড গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। পরে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের পক্ষ থেকে এ ঘটনার দায় স্বীকার করে নেওয়া হয়। এরপর গত বছরের মুম্বই ট্রাফিক কন্ট্রোলরুমের মাধ্যমে হুমকি দেওয়া হয় সলমান খানকে। এ ঘটনায় লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাংয়ের ১৮ সদস্যের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। তাঁর নিরাপত্তার জন্য ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির সিকিউরিটি মঞ্জুর করা হয়। আর ধারাবাহিক হুমকির মধ্যেই বান্দ্রার বাড়ির সংস্কার করা হয়। বর্তমানে সলমান খানের জন্য উচ্চ প্রযুক্তির মাধ্যমে নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। ঘরের প্রতিটি জানালা বুলেটপ্রুফ। চারপাশে সিসিটিভি। ২৪ ঘণ্টা নজরদারি করা হয়।

(Feed Source: zeenews.com)