
কলকাতা: ‘তারে জমিন পর’ ছবির ‘নিকুম্ভ স্যার’ ছিলেন এক্কেবারে আদর্শ। ছোটদের সঙ্গে মিশে যাওয়া, তাঁদের মন বুঝে পড়ানো, কেউ পিছিয়ে পড়লে তাঁর হাত ধরা… সবটাই ভীষণভাবে মনের মতো। অনেকেই মনে করেছিলেন, ‘সিতারে জমিন পর’-এও আমির খানের (Amir Khan) চরিত্র হবে ঠিক সেই রকমই। এক্কেবারে মনের মতোই। তবে সদ্য আমির খান যে তথ্য দিয়েছেন, তাতে অবাক হয়েছেন সকলেই। ‘সিতারে জমিন পর’-এ নাকি আমির খানের এমন একটা চরিত্র হবে, যাকে মানুষ কোনোভাবেই ভালবাসতে পারবেন না। এক্কেবারে নেতিবাচক হবে চরিত্রটা। ‘রাজনৈতিকভাবে একেবারেই ভুল’, অনৈতিক এবং সবার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে এমন একটা চরিত্র হবে।
‘সিতারে জমিন পর’ নিয়ে যা বললেন আমির
‘সিতারে জমিন পর’ নিয়ে আমির খান বলেছেন, ‘তারে জমিন পর’-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে ছবি হলেও, তার উপস্থাপনার ভঙ্গি হবে এক্কেবারে আলাদা। আমিরের কথায়, ‘আমি একটি ছবিতে কাজ করছি (সিতারে জমিন পর) যা প্রায় প্রস্তুত। এটি ‘তারে জমিন পর’-এর সিকুয়্যাল। বিষয়ভাবনার দিক দিয়ে, এটি দশ ধাপ এগিয়ে। এটি এমন মানুষদের সম্পর্কে যারা ভিন্নভাবে সক্ষম। এটি প্রেম, বন্ধুত্ব এবং জীবনের কথা। ‘তারে জমিন পর’ আপনাকে কাঁদিয়েছিল কিন্তু এই ছবি আপনাকে হাসাবে। এই ছবির থিমে কমেডি রয়েছে’ তিনি জানিয়েছেন।
‘সিতারে জমিন পার’-এ আমির খানের চরিত্র সম্পর্কে
‘তারে জমিন পর’-এ রাম শঙ্কর নিকুম্ভ ছিলেন ভীষণ সংবেদনশীল। প্রত্যেকের মনের কথা বুঝতে, মানুষের সঙ্গে মিশে যেতে পারতেন একেবারে নিজের মতো করেই। কিন্তু ‘সিতারে জমিন পর’-এ তাঁর চরিত্রটা হবে সম্পূর্ণ উল্টো। আমির খানের কথায়, ‘এই ছবিতে আমার চরিত্রের নাম গুলশন কিন্তু তার ব্যক্তিত্ব নিকুম্ভের ঠিক বিপরীত। সে একদমই সংবেদনশীল নয়। সে খুব অভদ্র, রাজনৈতিকভাবে অসঠিক এবং সবাইকে অপমান করে। সে তার স্ত্রী, মা’র সঙ্গে ঝগড়া করে। সে একজন বাস্কেটবল কোচ এবং সে তার সিনিয়র কোচকে মারধর করে। সে একজন অনেক অভ্যন্তরীণ সমস্যায় জর্জরিত ব্যক্তি, এবং গল্পটি হলো কিভাবে সে ছবির সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তিত হয়। কীভাবে একটা ধরণের মানুষ তাকে ভাল মানুষ হওয়ার শিক্ষা দেয়, সেটা নিয়েই গল্প’। এই ছবিতে দেখা যাবে দর্শিল সাফারি ও জেনেলিয়া ডিসুজা-কে। ‘সিতারে জমিন পার’ আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৩ সালের অক্টোবরে ঘোষণা করা হয়েছিল, কিন্তু মুক্তির তারিখ এখনও নিশ্চিত হয়নি।
(Feed Source: abplive.com)
