
কলকাতা: গুঞ্জন ছড়িয়েছিল, তাঁদের নাকি ব্যক্তিগত সম্পর্কে ছেদ পড়েছে? ফ্লোরে কাজ করছেন, কিন্তু অভিনয়ের বাইরে নাকি বাক্যালাপ বন্ধ তাঁদের। আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় এসে এই বিষয়ে নিজের অবস্থার খোলসা করেছিলেন জিতু কমল (Jeetu Kamal)। ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এর নায়ক। আর এবার, জি বাংলার পেজ থেকে, পাশাপাশি বসে, ফেসবুক লাইভ করলেন জিতু আর দিতিপ্রিয়া রায় (Ditipriya Roy)। সাধারণত এইভাবে কোনও চ্যানেলের পেজ থেকে ফেসবুক লাইভ করেন না অভিনেতা অভিনেত্রীরা। কিন্তু যাবতীয় গুঞ্জন শেষ করতেই সম্ভবত এই পদক্ষেপ। নায়ক নায়িকা দুজনেই এদিন বসেছিলেন পাশাপাশি। একদিকে যেমন তাঁরা দর্শকদের কমেন্টসেরও উত্তর দেন, তেমনই নিজেদের ব্যক্তিগত সমস্যা নিয়েও মন খোলসা করেন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় পাশাপাশি বসে ফেসবুক লাইভ করেছেন জিতু আর দিতিপ্রিয়া। সেখানে কমেন্ট সেকশনে অনেকেই লিখেছেন, যে তাঁরা জিতু ও দিতিপ্রিয়ার ধারাবাহিক দেখতে ভালবাসেন। তাঁদের সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন জিতু ও দিতিপ্রিয়া। গুঞ্জন ছড়িয়েছিল, দিতিপ্রিয়া ও জিতু নাকি সেটে কথা বলছেন না। এক ঘরে থাকলেও, আলাদা আলাদা থাকছেন তাঁরা। এই জল্পনায় নিজেরাই জল ঢেলেছেন জিতু ও দিতিপ্রিয়া। নায়িকা জানিয়েছেন, পুরুষ ও মহিলাদের আলাদা আলাদা রূপটান ঘরই এখানে দেওয়া হয়। ফলে জিতু ও দিতিপ্রিয়া মোটেই কখনোই একঘরে থাকতেন না। দিতিপ্রিয়া জানিয়েছেন, তিনি খুব লাজুক ধরণের মানুষ। সেই কারণে সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি অতটা মনের কথা লিখতে পারেন না। অন্যদিকে জিতু জানান, তিনি ধারাবাহিকের প্রচারের জন্যই যতটুকু পোস্ট শেয়ার করার, তা করেন। জিতু আরও বলেন, আর্য যেমন অপর্ণাকে স্নেহ করেন, তেমনই জিতু দিতিপ্রিয়াকে সম্মান করেন।
এর আগে, সোশ্যাল মিডিয়ায় এসে জিতু বলেছিলেন, ‘দিতিপ্রিয়া একজন খুব প্রতিভাবান অভিনেত্রী। ওর সঙ্গে আমার কেন সমস্যা হবে? বয়সে ছোট হলেও আমি ওকে সম্মান করি। ওর সঙ্গে কাজ করে আমি কমফোর্ট জোনটাও পাই। আমিও ওকে সেই কমফোর্ট জোনটা ওকে দেওয়ার চেষ্টা করি। তোমরা (দর্শকেরা) ভুলভ্রান্তি থাকলে সেটা কাটিয়ে ফেলো। এটা দেখতে একেবারেই ভাল লাগছে না। আমি কাজ করতে ভালবাসি, কাজ দেখাতে ভালবাসি আর তার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকতে ভালবাসি। আমি খুব ইতিবাচক একটা মানুষ, সবসময় ইতিবাচক জিনিসই তুলে ধরতে ভালবাসি। আমি স্পষ্ট করে দিয়েছি যে কিছু দর্শকের মনে হয়েছিল ছবিটা অশালীন, তাই আমি সেটা মুছে ফেলেছি। আমার সহ অভিনেত্রী আমায় বলেছেন, এটা একেবারেই বলিনি। সে আমার থেকে অনেক ছোট। অপর্ণার আগেও ও একটা মানুষ, একজন শিক্ষিত মেয়ে। খুব গুণী একটা মানুষ। আমরা কেন গুণী ছেলে মেয়েদের এগিয়ে দেব না? আমরা যদি গুণী মানুষকে এগিয়ে না দিতে পারি, তাহলে মেনে নিতে হবে যে সমাজের অবক্ষয় হচ্ছে।’
(Feed Source: abplive.com)
