)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: অপারেশন সিঁদুরে বেসামাল পাক জঙ্গি গোষ্ঠী জইশ-ই-মহাম্মদ। কোমর ভেঙে গিয়েছে, তাও শিক্ষা হয়নি! ভারত-সহ বিভিন্ন জঙ্গি কার্যকলাপ অব্য়াহত রাখতে এবার মহিলা শাখা তৈরি করল তারা। এই প্রথম।
ভারতের চাপে কৌশল বদল মাসুদ আজহারের জইশ-ই-মহম্মদের। কুখ্যাত এই পাক জঙ্গি গোষ্ঠী এতদিন ছিল মহিলাবর্জিত। বস্তুত, মহিলাদের সশস্ত্র যুদ্ধ বা মিশনে সামিল হতে বারণই করত তারা। সেই জইশ-ই-মহম্মদের সামনে আনল মহিলাদের। মহিলা শাখা নাম, ‘জামাত-উল-মুমিনাত’। পাকিস্তানের দক্ষিণ পাঞ্জাব প্রদেশে প্রায় ১০০ কিলোমিটার ভিতরে বাহাওয়ালপুরের মারকাজ উসমান-ও-আলিতে শুরু হল কর্মী নিয়োগও।
সূত্রের খবর, জইশের মহিলা শাখার নেতৃত্ব দেবেন খোদ মাসুদ আজহারের বোন সাদিয়া আজহার। অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন য়খন পঞ্জাবে জৈশের সদর দফতর আঘাত হানে ভারতীয় বায়ুসেনা, তখন নিহত হন সাদিয়ার স্বামী ইউসুফ আজহার। জইশ কমান্ডোরদের স্ত্রীরাই শুধু নয়, পাকিস্তানে বিভিন্ন জায়গায় অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল মহিলাদের নিজেদের দলে টানার কাজ শুরু করে দিয়েছে জইশ। এরা প্রত্যেকেই বাহাওয়ালপুর, করাচি, মুজাফফরাবাদ, কোটলি, হরিপুর এবং মনসেহরার জঙ্গি শিবিরে পড়াশোনা করেন।
জঙ্গি কার্যকলাপের মহিলাদের অংশগ্রহণ অবশ্য এই প্রথম নয়। আইএসআইএস, বোকো হারাম, হামাস এবং এলটিটিই-র সংগঠন অতীতে মহিলাদের আত্মঘাতী হামলাকারী হিসেবে করেছে। কিন্তু সেই পথে কখনও হাঁটতে দেখা যায়নি জইশ-ই-মহম্মদ বা লস্কর-তৈবার মতো পাক জঙ্গি গোষ্ঠীগুলিকে। রীতি ভাঙল জইশ।
সূত্রের খবর, ভবিষ্যতে মহিলাদের আত্মঘাতী হামলাকারী হিসেবেই ব্যবহার করার পরিকল্পনা করেছে জইশ। এই গোটা প্রক্রিয়াটি তদারকি করছেন মাসুদ আজহার নিজেই। সঙ্গে রয়েছে তাঁর ভাই তালহা আল-সাইফও।
ভারতের অনলাইন নেটওয়ার্ক
জম্মু ও কাশ্মীর, উত্তরপ্রদেশ এবং দক্ষিণ ভারতের কিছু অংশেও অনলাইন নেটওয়ার্ক মাধ্যমে জামাত-উল-মুমিনাত কার্যকলাপ চালাবে বলে মনে করা হচ্ছে। নজর থাকবে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ও হোয়াটসঅ্যাপে। ভারতে ২০০১ সালে সংসদ হামলা ও ২০১৯ সালের পুলওয়ামা হামলায় অভিযুক্ত এই জইশ-ই-মহম্মদ। মাসুদ আজহারের দাবি, ওই হামলায় তাঁর পরিবারের ১০ জন ও ৪ সহযোগীও নিহত হন। ৯৯৪ সালে ভারতে গ্রেফতার হয়েছিল সংসদ হামলার মাস্টারমাইন্ড। পরে কন্দহার বিমান অপহরণকাণ্ডের পর মুক্তি পায় সে।
(Feed Source: zeenews.com)
