‘জয়া আর অমিতাভের বিয়ে হতেই পারে না’, বেঁকে বসেছিলেন পুরোহিত! কী হয়েছিল তারপর?

‘জয়া আর অমিতাভের বিয়ে হতেই পারে না’, বেঁকে বসেছিলেন পুরোহিত! কী হয়েছিল তারপর?

জয়া বচ্চন (Jaya Bachchan) আর অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan), প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন। রুপোলি পর্দা থেকেই তাঁদের প্রেমের শুরু। কিন্তু একেবারে কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না তাঁদের বিবাহের পথ। বাড়ির অমতেই বিয়ে করেছিলেন তাঁরা, বিয়েটাও হয়েছিল গোপনে!

জয়ার সঙ্গে কিছুদিন ডেট করার পরে, অমিতাভ তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। ৭০ এর দশকে জয়া বচ্চনের বাবা প্রথম অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে দেখা করেন। জয়া বচ্চনের বাবা ছিলেন, বিখ্যাত লেখক তরুণ কুমার ভাদুড়ী। জয়া বচ্চনই বাবার সঙ্গে দেখা করাতে নিয়ে এসেছিলেন অমিতাভকে।

অমিতাভ জয়াকে ফোন করে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এরপরে, ২ বাড়ির কথা হয়। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, গোপনে বিবাহ হবে অমিতাভ আর জয়ার। দুই পরিবার ভোপালে পাড়ি দিয়েছিল জয়া আর অমিতাভের বিয়ে দিতে।

অমিতাভ জয়াকে ফোন করে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। এরপরে, ২ বাড়ির কথা হয়। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, গোপনে বিবাহ হবে অমিতাভ আর জয়ার। দুই পরিবার ভোপালে পাড়ি দিয়েছিল জয়া আর অমিতাভের বিয়ে দিতে।

জয়া বচ্চন যেহেতু বাঙালি, তাই জয়া বচ্চনের মায়ের ইচ্ছা ছিল, বিয়ে হবে বাঙালি পুরোহিত দিয়েই। কিন্তু ভোপালে গিয়ে বাঙালি পুরোহিত খুঁজে বের করা ছিল বেশ কঠিন কাজ। কিন্তু জয়া বচ্চনের মা ছিলেন অনড়।

জয়া বচ্চন যেহেতু বাঙালি, তাই জয়া বচ্চনের মায়ের ইচ্ছা ছিল, বিয়ে হবে বাঙালি পুরোহিত দিয়েই। কিন্তু ভোপালে গিয়ে বাঙালি পুরোহিত খুঁজে বের করা ছিল বেশ কঠিন কাজ। কিন্তু জয়া বচ্চনের মা ছিলেন অনড়।

এই ঘটনা নিয়ে, তরুণ কুমার ভাদুড়ি বলেছিলেন, 'আমি নাস্তিক, কিন্তু আমার স্ত্রী নাস্তিক নন। তিনি জোর দিয়ে বলেছিলেন যে এটি একটি বাঙালি বিয়ে হওয়া উচিত।' শেষমেষ যদিও একজন বাঙালি পণ্ডিত পাওয়া গিয়েছিল, তাঁকে নিয়েও শুরু হয়েছিল সমস্যা।

এই ঘটনা নিয়ে, তরুণ কুমার ভাদুড়ি বলেছিলেন, ‘আমি নাস্তিক, কিন্তু আমার স্ত্রী নাস্তিক নন। তিনি জোর দিয়ে বলেছিলেন যে এটি একটি বাঙালি বিয়ে হওয়া উচিত।’ শেষমেষ যদিও একজন বাঙালি পণ্ডিত পাওয়া গিয়েছিল, তাঁকে নিয়েও শুরু হয়েছিল সমস্যা।

বাঙালি জয়া ভাদুড়ি (বিয়ের আগের পদবী) আর অবাঙালি অমিতাভ বচ্চনের মধ্যে বিয়ে দিতে গিয়ে বেঁকে বসেন সেই বাঙালি পণ্ডিত। জানান, এভাবে বিয়ে হতে পারে না।

বাঙালি জয়া ভাদুড়ি (বিয়ের আগের পদবী) আর অবাঙালি অমিতাভ বচ্চনের মধ্যে বিয়ে দিতে গিয়ে বেঁকে বসেন সেই বাঙালি পণ্ডিত। জানান, এভাবে বিয়ে হতে পারে না।

শেষমেষ অনেক কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ২ বাড়ির রীতি মেনেই বিবাহ হবে। অমিতাভ বচ্চন এতে কোনও রাগ করেননি। ধৈর্য্য ধরে সমস্ত নিয়ম পালন করেছিলেন। সকাল পর্যন্ত চলেছিল সেই বিবাহের রীতিনীতি। বিয়ের পরেই তাঁরা লন্ডনে চলে গিয়েছিলেন। এরপরে ফিরে এসে একটি পার্টির আয়োজন হয়েছিল।

শেষমেষ অনেক কথা বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ২ বাড়ির রীতি মেনেই বিবাহ হবে। অমিতাভ বচ্চন এতে কোনও রাগ করেননি। ধৈর্য্য ধরে সমস্ত নিয়ম পালন করেছিলেন। সকাল পর্যন্ত চলেছিল সেই বিবাহের রীতিনীতি। বিয়ের পরেই তাঁরা লন্ডনে চলে গিয়েছিলেন। এরপরে ফিরে এসে একটি পার্টির আয়োজন হয়েছিল।

(Feed Source: abplive.com)