
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: নতুন বছর সুখবর। সোনার দাম আপাতত অপরিবর্তিতই। তবে রূপোর দাম কিন্তু কমল অনেকটাই। কেজিতে দাম কমেছে প্রায় ৪ হাজার টাকা।
সোনা দাম আকাশছোঁয়া। রুপো কিনবেন, সে উপায়ও নেই। দাম যেন বাড়ছিল রকেটের গতিতে!দাম এতটাই বেড়ে গিয়েছিল যে, অ্যাপলকে পিছনে ফেলে রূপোই হয়ে গিয়েছিল বিশ্বের তৃতীয় মূল্যবান সম্পদ। তালিকায় শীর্ষ সোনা, আর দ্বিতীয় স্থানে এনভিডিয়া (Nvidia। সদ্য ফেলে আসা বছরে রূপো দামবৃদ্ধর হার ছিল ১৫০ শতাংশ। কিন্তু বছর ঘুরতেই ছবিটা বদলাল। দেখা গেল আশার আলো।
আজ, বৃহস্পতিবার নতুন বছরের কলকাতায় রূপো দাম ছিল কেজি প্রতি ২ লক্ষ ৩০ হাজার ৩০০ টাকা। আর পাকা সোনা অর্থাত্ ২৪ ক্যারাটের দাম ১ লক্ষ ৩৩ হাজার ৭০০ টাকা(প্রতি ১০ গ্রাম), খুচরো সোনা ১ লক্ষ ৩৪ হাজার ৩৫০ টাকা (প্রতি ১০ গ্রাম)। হালমার্ক সোনার গয়না অর্থাত্ ২২ ক্য়ারাটের দাম তুলনামূলকভাবে কম। কত? প্রতি ১০ গ্রাম ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৭০০ টাকা।
এখন গ্লোবাল সাপ্লাই চেনে রুপো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। স্রেফ গয়নাই নয়, ইলেকট্রনিক্স, সোলার প্যানেল এবং এমনকি চিকিৎসা সরঞ্জামের তৈরিতে রূপোর প্রয়োজন হয়। অক্টোবরের ‘শর্ট স্কুইজে’র পর সেই রুপোর দামই হু হু করে বাড়ছিল। বস্তুত, দাম নজিরবিহীন উর্ধ্বগতি দেখা গিয়েছিল সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর। ভারতের মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জ (MCX)-এ রূপার দাম ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রতি কেজি ২,৫০,০০০ টাকার মাইলফলক ছাড়িয়ে গিয়েছিল।
এ বছর রূপার দাম বাড়ার মূল কারণগুলো কী?
—
১. সরবরাহে ঘাটতি ও শিল্প চাহিদা: গত সাত বছর ধরে রূপার উৎপাদনে ঘাটতি রয়েছে। বিপরীতে সৌরশক্তি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বৈদ্যুতিক গাড়ি (EV) এবং ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনে রূপার ব্যবহার ২০২৫ সালে ব্যাপক বেড়েছে।
২. সুদ হ্রাসের প্রভাব: মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার কমানোয় এবং ২০২৬ সালেও কমানোর সম্ভাবনা থাকায় বিনিয়োগকারীরা রূপা ও সোনার মতো সম্পদের প্রতি বেশি ঝুঁকছেন।
৩. নিরাপদ বিনিয়োগ (Safe Haven): ডোনাল্ড ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক নীতি এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে তৈরি হওয়া অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীরা রূপাকে নিরাপদ মনে করছেন।
৪. চিনের কড়াকড়ি: রূপা রপ্তানিতে চীনের নতুন বিধিনিষেধ বিশ্ববাজারে রূপার সরবরাহ আরও কমিয়ে দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
(Feed Source: zeenews.com)
