
গত ২৬ ডিসেম্বর রাওয়ালপিণ্ডিতে বিয়ের আসর বসেছিল। প্রাইভেট অনুষ্ঠান হওয়ায় কোনও ছবি সামনে আসেনি। পাত্র আব্দুল রহমান এর আগে পাকিস্তান সেনায় ক্যাপ্টেন হিসাবে কাজ করেছেন। পরে তিনি সিভিল সার্ভিসে যোগ দেন। এখন তিনি সেনা আধিকারিকদের জন্য সংরক্ষিত কোটায় অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার হিসাবে কাজ করছেন। তবে, বড় কোনও হোটেল বা হলে বিয়ের অনুষ্ঠানটি হয়নি। ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের বাসভবনে হয় এই অনুষ্ঠান।
বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেন সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট মহম্মদ বিন জায়েদ অল নাহয়ান, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি, প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ, উপ প্রধানমন্ত্রী ঈশাক দার, আইএসআই প্রধান ও পাকিস্তান সেনার শীর্ষ-স্থানীয় জেনারেলরা। রিপোর্ট অনুযায়ী, সবমিলিয়ে ৪০০ জন অতিথি উপস্থিত ছিলেন।
তবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্টকে এরকম একটা অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানোতে একটা জিনিস স্পষ্ট যে, গল্ফের এই দেশ পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্বকে সমর্থন দিচ্ছে। এমনই অনুমান করছে ওয়াকিবহাল মহল। আবুধাবি থেকে আর্থিক, কূটনৈতিক এবং কৌশলগত আশ্বাস নিশ্চিত করার জন্য মুনিরের এই প্রচেষ্টা বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ভারতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে ‘তর্জন-গর্জন’ করতে শোনা গেছে মুনিরকে। কিন্তু, সম্প্রতি নিজের দেশেই সমালোচিত হয়েছেন পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির। এর পাশাপাশি দেশের সরকারের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন পাকিস্তানের একটা বড় অংশের মানুষ। বিশাল হারে দেশত্যাগের তথ্য নিয়ে ইতিবাচক তত্ত্ব তুলে ধরে বিষয়টিকে ‘ব্রেন গেম’ বলেছিলেন মুনির। যা নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি পাকিস্তানিরা।
এর নেপথ্যে রয়েছে ভয়ঙ্কর তথ্য। দেশে আর্থিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই হাজার হাজার ডাক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার দেশ ছাড়ছেন গত দুই বছর ধরে। সাম্প্রতিক সরকারি একটি রিপোর্টেই সেই পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ মাসে পাকিস্তানে খুইয়েছে ৫ হাজার চিকিৎসক, ১১ হাজার ইঞ্জিনিয়ার ও ১৩ হাজার অ্য়াকাউনটেন্ট। Asim Munir’s Daughter’s Marriage
(Feed Source: abplive.com)
